kalerkantho

সোমবার । ৫ আশ্বিন ১৪২৮। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১২ সফর ১৪৪৩

৩ চোর পালিয়ে গেলেও একজনকে ধরে পিটিয়ে হত্যা!

নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৭:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৩ চোর পালিয়ে গেলেও একজনকে ধরে পিটিয়ে হত্যা!

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে অজ্ঞাত এক যুবকের (৪৫) মৃত্যু হয়েছে। রবিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে  লাশের পরিচয় শানাক্ত করা যায়নি। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা গেছে, একটি চোরের দল নাঙ্গলকোটের জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের রাজাপাড়া গ্রামের আবদুস সাত্তারের স্ত্রী মালেকা বেগমের রুমে গিয়ে নামাজরত অবস্থায় তাকে মারপিট করতে থাকে। এসময় তিনি প্রাণ ভয়ে নিজের গলা, কান ও নাক থেকে স্বর্ণালংকার খুলে দেয় ও মোবাইল ফোন এবং নগদ ২ লাখ টাকা দিয়ে দেয়। খবর পেয়ে সোমবার সকালে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম ও উপ পরিদর্শক সুমিত চৌধুরী সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রাজাপাড়া গ্রামের আবদুস সাত্তার ও তার একমাত্র ছেলে প্রবাসে কর্মরত। সম্প্রতী পুত্রবধূর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় তার ছেলের। পুত্রবধূর দেনমোহরের টাকা দেওয়ার কথা ছিল সোমবার। বাড়িতে একা থাকেন আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী মালেকা বেগম। রবিবার দিবাগত রাতে ঘরের জানালার গ্রিল কেটে মুখোশ পরা এক জনসহ চার চোর তাদের ঘরে প্রবেশ করে নামাজরত মালেকাকে মারপিট করে স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। চুরি শেষে চলে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা গ্রামে চোরের উপস্থিতি বুঝতে পেরে মসজিদের মাইকে ডাকাত-ডাকাত বলে ঘোষণা দিলে সবাই বের হয়ে চোরদের ধাওয়া করে। এসময় ৩ চোর পালিয়ে গেলেও এক চোরকে বিলের পানি থেকে আটক করে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। 

নাঙ্গলকোট থানার ওসি আ স ম আব্দুন নূর বলেন, চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের হাতে গণপিটুনির একপর্যায়ে এক অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু হয়। লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। লাশের পরিচয় শনাক্তে সিআইডিতে অবহিত করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।



সাতদিনের সেরা