kalerkantho

শুক্রবার । ৯ আশ্বিন ১৪২৮। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৬ সফর ১৪৪৩

কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, বেড়েছে নদীভাঙন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি    

৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১১:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, বেড়েছে নদীভাঙন

ছবি: কালের কণ্ঠ

নদ-নদীর পানি কমা অব্যাহত থাকায় কুড়িগ্রামের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে ধরলা নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বিপৎসীমার নিচে নেমেছে ব্রহ্মপুত্রের পানি। তবে এখনও তিন শতাধিক চরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। পানিবন্দি রয়েছে অন্তত ৪০ হাজার মানুষ। বাঁধ ও সড়কে আশ্রিত কয়েক হাজার পরিবার এখনও ঘরে ফিরতে পারেনি। সেখানে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের সমস্যা।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জেলার ৯টি উপজেলায় ২৬ হাজার ৮০৫ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত।

এদিকে, পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে তিস্তা ও ধরলার ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। তিস্তার অব্যাহত ভাঙনে রাজারহাটের গতিয়াশাম গ্রামটি এখন বিলুপ্তির পথে। সেখানে একটি স্কুল, এক হাজার পরিবারের ভিটেমাটি ও কয়েকশ হেক্টর জমির আবাদি জমি গত দুই মাসে বিলীন হয়েছ তিস্তাগর্ভে।

গতকাল শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা  পেতে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে এলাকাবাসী। আজ নদীভাঙন প্রতিরোধের দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে মানববন্ধন। ধরলা নদীর ভাঙনে কিং ছিনাই, জয়কুমর, বড়াইবাড়ি ও জগমোহনের চরের বসতভিটা ও আবাদি  জমি বিলীন হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরো অর্ধশত পরিবার নদীভাঙনের শিকার হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, উজানে বৃষ্টিপাত বন্ধ হওয়ায় নদ-নদীর পানি আর বাড়ার আশঙ্কা নেই। কাজেই বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকবে। 



সাতদিনের সেরা