kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৮। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২০ সফর ১৪৪৩

খোলার ঘণ্টা বাজার অপেক্ষায় স্কুল

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৬:৪৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খোলার ঘণ্টা বাজার অপেক্ষায় স্কুল

মান্দার প্রসাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিষ্কারের কাজ চলছে।

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী স্বপ্না আক্তার। অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়া ছাড়া স্কুলে যাওয়ার সুযোগ হয়নি দীর্ঘদিন। করোনা মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের দেড় বছর পর খোলার সিদ্ধান্তে স্বপ্নার চোখে নতুন স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে উঠতে পারলেই। এখন শুধু সেই দিনের অপেক্ষা।

স্বপ্নাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষক-কর্মকর্তারা। চলছে শ্রেণিকক্ষ ধোয়া-মোছার কাজ। অফিস কক্ষে মজুত করা হয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, স্যাভলন, স্প্রে-মেশিন ও মাস্ক। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠাদান কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

সরজমিনে উপজেলার প্রসাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রেবা আখতার আলিম মাদরাসা, মান্দা থানা আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ, গোটগাড়ী শহীদ মামুন সরকারি হাইস্কলি ও কলেজ, মান্দা এসসি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

রবিবার অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়ার জন্য বিদ্যালয়ে এসেছিল প্রসাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুন মায়েদা গ্লোরা। দীর্ঘদিন পর স্কুল খুলবে এমন সংবাদে খুশি সে। গ্লোরা বলে, 'ক্লাস ও খেলাধূলা করতে পারব। সবার সঙ্গে দেখা হবে। অনেক ভালো লাগছে।'

অভিভাবক জোসনা বেগম বলেন, 'স্কুল বন্ধ থাকায় বাড়িতে বাচ্চাদের তেমন লেখাপড়া হয়নি। শিক্ষাক্ষেত্রে তারা অনেক পিছিয়ে পড়েছে। বার্ষিক পরীক্ষার মাত্র তিন মাস সময় আছে। এত অল্প সময়ে বাচ্চারা পরীক্ষার পুরো প্রস্তুতি নিতে পারবে কি-না এনিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধান শিক্ষক রেজাউল হক বলেন, স্কুল খোলার বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে শ্রেণিকক্ষ, ওয়াশব্লক ও খেলার পরিষ্কার করা হয়েছে। অফিস কক্ষে মজুদ রয়েছে করোনাভাইরাসের প্রতিরোধমূলক সরঞ্জাম।

গোটগাড়ী শহীদ মামুন সরকারি হাইস্কুল ও কলেজ অধ্যক্ষ জহুরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘসময় অনলাইনে পাঠদান কার্যক্রম চালানো হয়েছে। পাশাপাশি অ্যাসাইনমেন্ট এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় মনোযোগী রাখার চেষ্টা চলেছে।

তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয় খুললে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত আসা-যাওয়া করবে। এতে করে প্রতিষ্ঠানগুলোতে তৈরি হবে উৎসবমুখর পরিবেশ। 



সাতদিনের সেরা