kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ আশ্বিন ১৪২৮। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৫ সফর ১৪৪৩

নৌকা ভেড়ালেই লাগছে টাকা, এলাকায় ক্ষোভ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২১:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নৌকা ভেড়ালেই লাগছে টাকা, এলাকায় ক্ষোভ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে নদীর তীরের প্রায় চার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ইজারা দেওয়ার ঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। ইজারা দেওয়া এলাকায় নৌকা ভেড়ালেই টাকা লাগছে বলে এলাকার মানুষের মাঝে এ ক্ষোভ। এ অবস্থায় বুধবার দুপুরে এলাকার লোকজন নদীর পাড়ে মানববন্ধন করে ইজারা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

এলাকাবাসী ও কাগজপত্র সূত্রে জানা গেছে, আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কম্পানি এলাকা থেকে দূর্গাপুর ইউনিয়নের তাজপুর মৌজার কালাসুতা খাল পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার নদীর তীরের উভয় পাশে মালামাল উঠানামানোর ‘ঘাট’ হিসেবে ইজারা দেয় বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। চলতি বছরের ৩০ আগস্ট থেকে আগামী ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ১০ মাসের জন্য দুই লাখ ৫২ হাজার টাকা দিয়ে মো. মহিউদ্দিন মোল্লা নামে এক ব্যক্তিকে এটি ইজারা দেওয়া হয়। এরপর থেকেই উল্লেখিতস্থানে নৌকা ভেড়া মাত্রই টাকা দিতে হচ্ছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার বাহাদুরপুর এলাকায় মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন মো. ফারুক মিয়া, মো. মিদন মিয়া, সাদেক মিয়া, জামাল সরদার, মো. বাহাউদ্দীন মিয়া, মোয়াজ্জেম হোসেন, আবদুল্লাহ মিয়া, মাসুদ মিয়া, সালাহ উদ্দিন প্রমুখ। এ সময় বক্তারা অভিযোগ করেন, ইজারা দেওয়া স্থানের পাশে আশুগঞ্জ উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের সোহাগপুর, বাহাদুরপুর, দূর্গাপুর ও তাজপুর গ্রামের কৃষি জমি। মাছ ধরা কিংবা অন্যান্য কাজে এখানে নৌকা ভেড়ালে আগে কোনো টাকা লাগতো না। এখন টাকা গুনতে হচ্ছে। ইজারাদাররা নিজেদের খেয়ালখুশি মতো টাকা নিচ্ছেন।

ইজারাদার মহিউদ্দিন মোল্লার বড় ভাই ইমরান মোল্লা সাংবাদিকদেরকে জানান, সকল নিয়ম মেনে দরপত্র দাখিল করে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে তারা ইজারা পেয়েছেন। বিআইডব্লিউটিএ যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছে সেই মোতাবেক টোল আদায় করা হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিএ ভৈরব-আশুগঞ্জ কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শহীদ উল্যাহ জানান, সকল নিয়ম মেনেই ইজারা দেওয়া হয়েছে। তবে ইজারাদার যদি ইজারার কোনো শর্ত না মেনে থাকেন তাহলে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা