kalerkantho

শুক্রবার । ৯ আশ্বিন ১৪২৮। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৬ সফর ১৪৪৩

টেকনাফ সৈকতে ভেসে এলো ৩০ ফুট লম্বা বিশাল দেহের মৃত তিমি

অনলাইন ডেস্ক   

২৮ আগস্ট, ২০২১ ০৯:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টেকনাফ সৈকতে ভেসে এলো ৩০ ফুট লম্বা বিশাল দেহের মৃত তিমি

দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় রাতেই তিমিটিকে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্র সৈকতে আবারও ভেসে এসেছে বিশাল আকারের একটি তিমির মৃতদেহ। শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যার পরে শামলাপুর সৈকতে তিমির মৃতদেহটি জেলেদের চোখে পড়ে। এটি জোয়ারের পানিতে ভেসে এসে বালিয়াড়িতে আটকা পড়ে। খবর পেয়ে উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় করে।

স্থানীয়রা জানান, সৈকতে মৃত তিমি পড়ে থাকতে দেখে বিকেলে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন এক পরিবেশকর্মী। পরে রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শওকত আলী, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনসহ প্রশাসনের একটি টিম। দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় রাতেই মৃত তিমিটি দ্রুত পুঁতে ফেলা হয়।

শামলাপুর নৌকা মালিক সমিতির সভাপতি বেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'জেলেরা মৃত তিমিটা দেখার পর আমাকে জানায়। ধারণা করা হচ্ছে সপ্তাহ-দুয়েক আগে তিমিটি মারা গিয়েছে, ভাটার সময় মৃতদেহ বালিয়াড়িতে ভেসে এসেছে।’

সেভ দ্য নেচার অব বাংলাদেশের টেকনাফ উপজেলা সভাপতি জালাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, 'শুক্রবার বিকালের দিকে মৃত তিমির দেহ সৈকতের বালিয়াড়িতে ভেসে আসে। কিন্তু যে জায়গায় উঠেছে সেখানে মানুষের সমাগম কম বলে প্রথমে কারো নজরে আসেনি। অবশেষে সন্ধ্যার পরপরই জেলেরা নৌকার ঘাটে এলে তিমির মৃত দেহ দেখতে পায়।’

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শওকত আলী বলেন, মৃত তিমিটি ৩০ দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট প্রস্থ। কয়েকদিন আগে এটি মারা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী বলেন, মৃত তিমির দেহের কিছু অংশ সংগ্রহ করা হয়েছে। যা পরীক্ষা-নিরীক্ষা কাজের ব্যবহার করা হবে।

এর আগে গত এপ্রিল মাসে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের হিমছড়ি ও ইনানি পয়েন্টে দুটি মৃত তিমি ভেসে এসেছিল। পরে তা মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়।



সাতদিনের সেরা