kalerkantho

রবিবার । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৫ ডিসেম্বর ২০২১। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

দুই খুনের রহস্য উদঘাটন

অজ্ঞাত লাশটি ছিল রোজিনার, ভাগিনাকে ফাঁসাতে খুনি ভাড়া করে মামা

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর   

২৬ আগস্ট, ২০২১ ১৯:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অজ্ঞাত লাশটি ছিল রোজিনার, ভাগিনাকে ফাঁসাতে খুনি ভাড়া করে মামা

গাজীপুরে দুই বছর আগে খুন হওয়া অজ্ঞাত তরুণী এবং একবছর আগে যুবক রুহুল খুনের রহস্য উদঘাটন করেছে গাজীপুর পিআইবি। শারীরিক সম্পর্কের চুক্তিতে ২০১৯ সালের ২০ জুন রাতে রোজিনা (২০) নামের ওই তরুণীকে এক হাজার টাকায় শ্রীপুরের নয়নপুর থেকে ভাড়া করে উপজেলার কপাটিয়াপাড়া গ্রামে এনেছিল ওই গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া (৩৬)। দুইবার শারীরিক সম্পর্কের পর টাকা চাওয়ায় রোজিনাকে বটি দিয়ে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করে পুকুরে লাশ ফেলে রাখে সুমন মিয়া (৩৬)। সুমনের সঙ্গে বিরোধ ছিল একই গ্রামের হৃদয়ের। রোজিনা হত্যার দায় কৌশলে হৃদয়ের ওপর চাপায় সুমন। এ ঘটনায় পরদিন লাশ উদ্ধার করে পুলিশ বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় মামলা করে। পরবর্তীতে মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় গাজীপুর পিবিআই। 

অপরদিকে কাপাসিয়ার সালুয়াটেকি গ্রামের সৈয়দ জহির আহসান জাহিদের সঙ্গে ওয়ারিশের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল মামা একই গ্রামের রবিন ভূঁইয়ার। হত্যার দায় ভাগ্নে জাহিদের ওপর ফেলতে ১২ লাখ টাকায় খুনি দুখু মিয়া ওরফে সুমনকে (২২) ভাড়া করেন মামা। জহিরের সঙ্গে সখ্য ছিল ইদ্রিসের। গত বছরের ২৪ আগস্ট রাতে ইয়াবা আনার কথা বলে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয় সালয়াটেকি গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে ইদ্রিসকে (৩০)। পরদিন রবিন ভুঁইয়ার পুকুর পাড় থেকে ইদ্রিসের লাশ উদ্ধার করে কাপাসিয়া থানার পুলিশ। এ ঘটনায় ইদ্রিসের মা মোর্শেদা বেগম বাদী হয়ে জহিরকে প্রধান আসামি করে মামলা করেন। এ মামলারও তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। 

আজ বৃহস্পতিবার ভোরে শ্রীপুর থেকে সুমন মিয়া ও কাপাসিয়া থেকে দুখু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা খুনের কথা স্বীকার করে। গাজীপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান জানান, দুখু মিয়া ও সুমন মিয়াকে গতকাল বুধবার বিকালে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হলে বিচারকের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। 



সাতদিনের সেরা