kalerkantho

শনিবার । ৩১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ অক্টোবর ২০২১। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

গ্রামে আধিপত্য বিস্তার

ভাঙচুর-সংঘর্ষে পণ্ড গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান, কনের আশ্রয় মামাবাড়ি!

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২৫ আগস্ট, ২০২১ ১৬:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভাঙচুর-সংঘর্ষে পণ্ড গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান, কনের আশ্রয় মামাবাড়ি!

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার হিরণ ইউনিয়নের বর্ষাপাড়া গ্রামে ১৪ দিনের ব্যবধানে ফের সংঘর্ষ ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে নারীসহ তিনজন আহত, আটটি ঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ভাঙচুরের কারণে পণ্ড হয়ে গেছে এক কনের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান।

বুধবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এলাকায় উত্তোজনা বিরাজ করায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা গেছে, এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বদিউজ্জামান বিশ্বাসের সঙ্গে মামুনুর রশীদ সিকদারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই সূত্র ধরে বুধবার সকালে বদিউজ্জামান বিশ্বাসের লোকজন মামুনুর রশীদ সিকদার গ্রুপের রিপন বিশ্বাসকে (৩৩) মারধর করে। এ ঘটনার পরে মামুন বিশ্বাসের লোকজন হামলা চালিয়ে বদিউজ্জামান বিশ্বাস গ্রুপের কালাম বিশ্বাস, রব বিশ্বাস, দিদার বিশ্বাস, রসুল বিশ্বাস, ফেরদাউস বিশ্বাস, বাচ্চু বিশ্বাস, শামিম বিশ্বাস ও ফকা বিশ্বাসের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

এ সময় বাঁধা দিতে গিয়ে লাভলী বেগম (৪৫), নাইম বিশ্বাসসহ (২৫) তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগে, ১১ আগস্ট উভয় পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ১০জন আহত ও সাতটি ঘর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছিল।

বদিউজ্জামান বিশ্বাস বলেন, মামুন বিশ্বাসের লোকজন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আমার আত্মীয় স্বজনের আটটি বসতঘর ভাঙচুর করে লুটপাট চালিয়েছে। বাঁধা দিতে গেলে তারা নিরীহ লোকজনদেরকে মারপিট করে। একটি বিয়ে বাড়িতে হামলা চালিয়ে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিয়েছে। ভয়ে কনের পরিবার উপজেলার দিঘলীয়া গ্রামে মামা বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।

তবে অভিযুক্ত মামুনুর রশীদ সিকদার ভাঙচুর ও লুটপাটের কথা অস্বীকার করে বলেন, আমার কোন লোকজন বদিউজ্জামান বিশ্বাসের লোকজনকে মারধর করেনি।

কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোন পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



সাতদিনের সেরা