kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১।৮ সফর ১৪৪৩

পদ্মার পানি বিপৎসীমার ওপরে, পাড়ে ভাঙন

শরীয়তপুর প্রতিনিধি   

২৩ আগস্ট, ২০২১ ১৯:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পদ্মার পানি বিপৎসীমার ওপরে, পাড়ে ভাঙন

শরীয়তপুরের সুরেশ্বর পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ সোমবার সন্ধা ৬টায় ওই পয়েন্টে পাদ্মার পানি ৪.৭৩ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হয়েছে যা বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার ওপরে। পানি বারার কারণে নড়িয়ার ঈশ্বরকাঠি, শেহের আলী মাদবরকান্দি ও চেরাগ আলী বেপারী কান্দি এলাকায় নদী তীর উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এই তিনটি স্থানে নড়িয়া-জাজিরা পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা প্রকল্পের ব্লক নির্মাণের ইয়ার্ড প্লাবিত হয়েছে। এ কারণে সেখানে কর্মরত তিন শতাধিক শ্রমিককে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

পানি বৃদ্ধির কারণে ভাঙন ঠেকাতে পদ্মা, মেঘনা ও কীর্তিনাশা নদীর ১০০ স্থানে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ও জিওটিউব ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। নড়িয়া-জাজিরার পদ্মা নদীর ডানতীর রক্ষা প্রকল্প নামে একটি প্রকল্পের কাজ চলছে নড়িয়ায়। ১ হাজার ৪১৭ কোটি টাকার ওই প্রকল্পে ব্যবহারের জন্য সিসি ব্লক নির্মাণ করা হচ্ছে নদীর তীরবর্তী ১০টি স্থানে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৩ আগস্ট পদ্মা নদীর পানি নড়িয়ার সুরেশ্বর পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর পর থেকে প্রতিদিনই পদ্মার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নড়িয়ার কিছু নিচু এলাকায় তীর উপচে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পদ্মার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীতে স্রোত বেড়ে গেছে। স্রোতের কারণে জাজিরার পদ্মা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় ও কীর্তিনাশার বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

শরীয়তপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব বলেন,পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কিছু নীচু স্থান তলিয়েছে। তবে এখনো লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেনি। নড়িয়া-জাজিরার পদ্মা নদীর ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ব্লক নির্মাণের তিনটি ইয়ার্ড পানিতে প্লাবিত হয়েছে। সেখান থেকে ৩০০ মতো শ্রমিক অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পানি নেমে গেলে ইয়ার্ড তিনটি চালু করা হবে। এ ছাড়া ভাঙন রোধে জাজিরার ৩৭টি স্থানে, নড়িয়ার ১২টি স্থানে, ভেদরগঞ্জের ২২টি স্থানে, গোসাইরহাটের ১৪টি স্থানে ও সদর উপজেলার কীর্তিনাশা নদীর ১৫টি স্থানে বালুভর্তি জিওব্যাগ ও জিওটিউব ফেলা হচ্ছে।



সাতদিনের সেরা