kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১।৮ সফর ১৪৪৩

কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশ

মন্দির উন্নয়নে বরাদ্দের টাকা 'হজম' করতে পারলেন না মেম্বার

তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি   

২০ আগস্ট, ২০২১ ১২:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মন্দির উন্নয়নে বরাদ্দের টাকা 'হজম' করতে পারলেন না মেম্বার

পূর্ব পাড়া সার্বজনীন বাসন্তী পূজা মন্দির, ইনসেটে ইউপি সদস্য বিকাশ চন্দ্র মন্ডল

'মন্দিরে টাকা আত্মসাৎ মেম্বারের'- শিরোনামে কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর টনক নড়ে তালা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল হকের। তিনি নিজেকে বাঁচাতে ইউপি সদস্য বিকাশ চন্দ্র মন্ডলকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে উত্তোলনকৃত প্রথম কিস্তির ২৬ হাজার টাকা ফেরত নেন। এরপর তিনি মন্দির কমিটির মূল সভাপতি দিপংকর গোলদারকে ডেকে ৫১ নম্বর প্রকল্প ফরম ধরিয়ে দিয়ে পূরণ করে টাকা উত্তোলনের জন্য বলেন। তবে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ ও ভুয়া নামে আগেই চেক ইস্যু ও টাকা উত্তোলন হওয়ায় ফরম পূরণ কিংবা টাকা উত্তোলন করেননি মন্দির কমিটির সভাপতি।

এর আগে ইউপি সদস্য নিজেকে মন্দির কমিটির ভুয়া সভাপতি দেখিয়ে উপজেলার ১২ নম্বর খলিলনগর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের পূর্ব পাড়া সার্বজনীন বাসন্তী পূজা মন্দিরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ টিআর প্রকল্পের আওতায় ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দের প্রথম কিস্তির ২৬ হাজার টাকা গোপনে তুলে নেন। এ ঘটনায় পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি দিপংকর গোলদার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন। 

মন্দির কমিটির সভাপতি দিপংকর কালের কণ্ঠকে জানান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ৫১ নম্বর প্রকল্প ফরম ধরিয়ে দিয়ে পূরণ করে টাকা উত্তোলনের জন্য বলেন। যেহেতু প্রকল্প নিয়ে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ ও ভুয়া নামে আগেই চেক ইস্যু ও টাকা উত্তোলন হয়েছে সেহেতু তিনি ফরম পূরণ কিংবা টাকা উত্তোলন করেননি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য বিকাশ মন্ডল টাকা উত্তোলনের কথা স্বীকার করে কালের কণ্ঠকে বলেন, টাকাগুলি তুলে তিনি ভুল করেছেন। তবে পিআইও স্যার ফোন করলে তিনি সমুদয় টাকা ফেরত দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল হক  কালের কণ্ঠকে বলেন, মন্দির কমিটির সভাপতি দেখিয়ে টিআর প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করেন ইউপি সদস্য বিকাশ মন্ডল। তবে চেক ইস্যু করার আগে তিনি খলিলনগর ইউপি সচিব ও চেয়ারম্যানকে জানিয়ে ইউপি সদস্য বিকাশকে চেকটি দেন। পরে ইউপি সদস্য বিকাশ মন্দির কমিটির সভাপতি নয় জানার পরেই তাকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে উত্তোলনকৃত প্রথম কিস্তির ২৬ হাজার টাকা ফেরত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।



সাতদিনের সেরা