kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১।৮ সফর ১৪৪৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংক্রমণ হার নেমে অর্ধেকে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি    

২০ আগস্ট, ২০২১ ১০:১৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংক্রমণ হার নেমে অর্ধেকে

এখন পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা আক্রান্তের গড় সংক্রমণের হার ১৮.২৭। চলতি আগস্ট মাসের এ হার ছিল ২৮.৮৪। আর এ মাসের প্রথম দিন সংক্রমণের হার ছিল  ৪৫.৬। অর্থাৎ গতকাল বৃহস্পতিবারের ফলে দেখা গেছে সংক্রমণের হার আট মাসের শুরুর গড় হারের প্রায় অর্ধেক ১৬.৫৪।

গত তিন দিন ধরেই সংক্রমণ হার অনেকটাই কমে এসেছে। চলতি মাসের এক হিসেব থেকে দেখা যায়, বর্তমানে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১০০ জন করে আক্রান্ত  হচ্ছে। তবে বৃহস্পতিবারের ফলে মাত্র ১৫ জনের পজেটিভ আসে।

সংশ্লিষ্টরা সংক্রমণ হারের ফলকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন। পাশাপাশি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। স্বাস্থ্যবিধি মানা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, টিকা দেওয়ার মতো নির্দেশনা মেনে চললে অচিরেই সংক্রমণ হার আরো কমে মৃত্যুও কমবে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে চলতি মাসে মৃত্যুর হার আগের তুলনায় অনেক বেশি। করোনা শুরু পর থেকে মারা যাওয়া ১৫৩ জনের মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছেন ৫৫ জন। এর মধ্যে বেশিরভাগ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান।

অবশ্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনের সঙ্গে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মৃত্যুর সংখ্যার মিল নেই। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, জেলার অনেকে ঢাকা কিংবা অন্য এলাকায় চিকিৎসা করাতে গিয়ে করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। এ কারণে জেলার তথ্যে সেটি উল্লেখ থাকে না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যে সারা দেশের বিষয় উঠে আসে বলে এর সঙ্গে অমিল থেকে যায়।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসের ৮ তারিখে সর্বোচ্চ ৪৩.৯১ হারে ২৩০ জনের নমুনা পরীক্ষার ফলে ১০১ জন করোনা আক্রান্ত হন। এর এক সপ্তাহ আগে ৩১ জুলাই ১১৯ জনের ফলে ৬৭ জন আক্রান্ত হন। আক্রান্তের হার ছিল ৫৬.৫৩।

সূত্রটি আরো জানায়, এ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০৬৫৫। নমুনা সংগ্রহ করে ফল প্রকাশ করা হয় ৫৮ হাজার ৩১৫টি। সেই হিসেবে সংক্রমণের গড় হার ১৮ এর ওপর। এখন পর্যন্ত জেলায় সুস্থ হয়েছেন ছয় হাজার ৬৭০ জন।   

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. মো. একরাম উল্লাহ বৃহস্পতিবার রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, 'গত কয়েকদিন ধরে করোনা আক্রান্তের হার অনেকটাই কমে এসেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে খুব দ্রুতই আমরা ভালো ফল পাব। তবে সংক্রমণ হার পাঁচ ভাগের নিচে না নামা পর্যন্ত ঝুঁকিমুক্ত বলা যাবে না।'



সাতদিনের সেরা