kalerkantho

সোমবার । ৫ আশ্বিন ১৪২৮। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১২ সফর ১৪৪৩

স্ত্রীর স্বীকৃতি চেয়ে তরুণীর অনশন

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি   

১৭ আগস্ট, ২০২১ ১৭:৪৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্ত্রীর স্বীকৃতি চেয়ে তরুণীর অনশন

অনশনরত তরুণী।

নেত্রকোনার মদনের পল্লীতে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে এক তরুণী অনশন করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়েনের রুদ্রশ্রী গ্রামের হারেছ মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন সৈকতের বাড়িতে অনশনে বসেন ওই তরুণী।

সৈকতের পরিবারের দাবি, প্রায় এক বছর ধরে তাদের ছেলের খোঁজ খবর জানেন না তারা। তবে  সৈকত প্রায় ২০/২৫ দিন আগে সৌদি আরবে চলে গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে রুদ্রশ্রী গ্রামের হারেস মিয়ার ছেলে সৈকতের সঙ্গে একই এলাকার ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত বছরের ২৮ নভেম্বর ঢাকার নোটারী পাবলিক আদালতে বিয়ে করেন তারা। একই দিনে বিয়ের রেজিস্ট্রেশনও করেন তারা। ছেলের পরিবার বিয়ে মেনে না নেওয়ায় দুজনে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ঢাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। ৫ জুলাই ওই তরুণীকে ভাড়া বাসায় রেখে নিখোঁজ হন সৈকত। সন্ধান চেয়ে ওই তরুণী ১ আগস্ট ঢাকার ভাষানটেক থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। সন্ধান না পেয়ে ১৭ আগস্ট স্বামী দেলোয়ারের বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে অনশনে বসেন।

ওই তরুণী বলেন, 'দেলোয়ার হোসেন সৈকত আমার স্বামী। আমরা বিয়ে করে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় বসবাস করছি। স্ত্রীর স্বীকৃতি না পাইলে আমি এখানে আত্মহত্যা করব।'

দেলোয়ার হোসেন সৈকতের মা দিলোয়ারা আক্তার বলেন, এক বছর ধরে আমার ছেলের কোন খোঁজ খবর জানি না। সে কোথায় আছে, কবে বিয়ে করেছে তাও জানি না। এই মেয়েটি (তরুণী কে দেখিয়ে) আজকে সকাল থেকে আমার ছেলের স্ত্রী দাবি করে ঘরে উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলমা চৌধুরী জানান, রুদ্রশ্রী গ্রামের হারেস মিয়ার ছেলে ২০/২৫ দিন আগে দেশের বাহিরে চলে গেছে আমি শুনেছি। যে মেয়েটি অনশনে বসেছে তার একটি তালাক নোটিশ আদালত থেকে আমার পরিষদে এসেছে।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আলম জানান, তরুণীর অনশনের বিষয়টি ইউএনও মহোদয়কে জানানো হবে। তার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ মুঠোফোনে জানান, আমি সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে বলব বিষয়টি দেখার জন্য।



সাতদিনের সেরা