kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ কার্তিক ১৪২৮। ২৬ অক্টোবর ২০২১। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ফেরত যাচ্ছে চকরিয়া আইনজীবী ভবন নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অনুদান!

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

১৪ আগস্ট, ২০২১ ২০:০৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফেরত যাচ্ছে চকরিয়া আইনজীবী ভবন নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অনুদান!

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির নিয়ন্ত্রণাধীন চকরিয়া আইনজীবী সমিতির সদস্যদের জন্য ভবন নির্মাণে একটি চক্র বার বার বাঁধা দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আইনজীবীদের জন্য নির্ধারিত জায়গায় ভবন নির্মাণের বিপরীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক দেওয়া অনুদানের ৩০ লক্ষ টাকা ফেরত যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এমনকি জেলা জজ আদালত এবং উচ্চ আদালত থেকে চকরিয়ার আইনজীবীদের জন্য ভবন নির্মাণে চৌহদ্দিসহ জায়গার ডিক্রিপ্রাপ্ত হলেও চক্রটি অহেতুক নানা অভিযোগ তুলে উচ্চ আদালতে ফের রিট পিটিশন দায়ের করায় ভবন নির্মাণের বিষয়টি ঝুলে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে উচ্চ আদালতের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা এবং মামলাবাজ চক্রটির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে জোর দাবি জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আজ শনিবার দুপুরে চকরিয়া অ্যাডভোকেট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত ও মৌখিক বক্তব্য দেন নেতৃবৃন্দরা। এ সময় মামলাবাজ, ভূমিদস্যু ঈসমাইল গং ও তার মেয়াদোত্তীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ হাজারিকা ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তিন তলা বিশিষ্ট হাজারিকা ভবনটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের উত্তর পাশেই আইনজীবীদের জন্য ভবন নির্মাণের নির্ধারিত জায়গা। ওই জায়গায় আইনজীবীদের চলাচলের জন্য বাউন্ডারির ভেতরই রয়েছে নিজস্ব রাস্তা। কিন্তু সেই রাস্তাটি মামলাবাজ গংদের দাবি করে ফের উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করে, শুধুমাত্র আইনজীবীদের ভবন নির্মাণ যাতে ঝুলে থাকে। যদিওবা আইনজীবীদের ভবন নির্মাণের নির্ধারিত জায়গাটি জেলা জজ আদালত এর পর সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ (উচ্চ আদালত) থেকে সোলেহ সূত্রে বিষয়টি চৌহর্দ্দিসহ উল্লেখ করে চুড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করে দেওয়া তথা ডিক্রিপ্রাপ্ত হয়েছিল।

আরো বলা হয়, ঝুকিপূর্ণ হাজারিকা ভবনটি আদালত চত্বর এবং উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের নাকের ডগায় হলেও সেটি অপসারণে কোন ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে না। এমনকি ইতোপূর্বে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ভবনটিকে চরম ঝুঁকিপূর্ণ আখ্যায়িত করে নোটিশও প্রদান করেছে অপসারণে। কিন্তু মালিক তা কোনোভাবেই আমলে নিচ্ছে না বিষয়টি। এই পরিস্থিতিতে ঝুঁকিপূর্ণ তিনতলা ভবনটি যেকোনো মুহূর্তে আইনজীবীদের অস্থায়ী কার্যালয়ের ওপর ধসে গিয়ে ব্যাপক জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন চকরিয়া অ্যাডভোকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হাবিব উদ্দিন মিন্টু। সাধারণ সম্পাদক মো. মঈন উদ্দীনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন চকরিয়া চৌকি আদালতের অতিরিক্ত পিপি ও সমিতির সাবেক সভাপতি এইচ এম শহীদুল্লাহ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি লুৎফুল কবির, দিদারুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট যথাক্রমে মফিজুর রহমান হেলাল, শফিউল মোস্তফা নূরী, শিহাব উদ্দিন আসেম, শাহ আলম, ইলিয়াছ আরিফ, নুরুল আজিম, আনোয়ারুল আলম, মো. এমরান, নুরুল কাদের, মিফতাব উদ্দিন, আবু ছালেহ প্রমূখ।



সাতদিনের সেরা