kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

মদন-কেন্দুয়া সড়কের বেহাল দশা

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি   

১৪ আগস্ট, ২০২১ ১০:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মদন-কেন্দুয়া সড়কের বেহাল দশা

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় মদন-কেন্দুয়া সড়ক বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। ১৫ কিলোমিটারের এ সড়কের মদনের অংশ প্রায় ৯ কিলোমিটারে ছোট বড় অসংখ্য গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাতায়াতকারীরা। এসব দুর্ভোগের মধ্যে দিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করছেন হাজারো লোকজন। এর ফলে প্রতিদিন ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। 

দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগে স্থানীয় ও যাতায়াতকারী লোকজনদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও নির্মাণ কাজে অনিয়ম করায় কয়েক দিন যেতে না যেতেই সড়কে গর্তের সৃষ্টি হয়। দুর্ভোগ লাঘবে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মদন উপজেলা থেকে কেন্দুয়া উপজেলার যাতায়াতের একমাত্র পথ মদন-কেন্দুয়া সড়ক। মদন থেকে কেন্দুয়া, তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ, ভৈরব, চট্টগ্রাম, সিলেটে দূরপাাল্লার যান চলাচল করে এ সড়কে। প্রতিদিন নানা শ্রেণী-পেশার হাজার হাজার লোকজন যাতায়াত করছেন। এ সড়কে মদন পৌরসদর থেকে বাড়রী কাঞ্জার খাল পর্যন্ত মদনের অংশ প্রায় ৯ কিলোমিটারে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের মাঝে গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় বৃষ্টির পানি জমে পুকুরে পরিণত হয়। এসব স্থানে গাড়ি চালকরা গিয়েই বিপদে পড়েন। প্রায় সময়েই গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে থাকে দীর্ঘ সময়। এ সময় পথচারীদের পায়ে হেঁটে চলাচল করতেও দুষ্কর হয়। যাতায়াতের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে বাধ্য হয়েই যাতায়াত করছেন লোকজন।

যাতায়াতকারী কামাল হোসেন, হানিফ মিয়া, ফয়সাল বলেন, মদন কেন্দুয়া সড়কের মদনের অংশ খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। রাস্তা ভেঙে গর্তে পানি জমে পুকুরের মতো হয়েছে। রাস্তাটি সংস্কার করা খুবই জরুরি।  

গাড়ি চালক কাজল মিয়া, মোফাজ্জল হোসেনসহ অনেকেই জানান, এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালাতে এখন আর মন চায় না। ৪০ মিনিটের জায়গায় এখন দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় দুর্ভোগ হলেও গাড়ি চালাতে হচ্ছে। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মদন উপজেলা প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন বলেন, মদন-কেন্দুয়া সড়কটি সংস্কারের প্রাক্কলন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হলেই সংস্কার শুরু করা হবে।



সাতদিনের সেরা