kalerkantho

শুক্রবার । ৯ আশ্বিন ১৪২৮। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৬ সফর ১৪৪৩

চাঁদপুরে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ১২ জনের মৃত্যু

চাঁদপুর প্রতিনিধি    

৬ আগস্ট, ২০২১ ১০:১৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চাঁদপুরে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ১২ জনের মৃত্যু

চাঁদপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এদের মধ্যে তিনজন করোনায় এবং বাকি ৯ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন বলে জানান হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ও করোনাবিষয়ক ফোকাল পার্সন ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেল। এর মধ্যে গত পাঁচ দিনেই ৬০ জন মারা গেছেন। 

যে ১২ জন মারা গেছেন তারা হচ্ছেন, চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচণ্ডী গ্রামের রওশন আরা (৫০), পাইকাস্তার বাদশা গাজী (৭০), সাপদীর আবুল কাশেম (৭৫), মতলব উত্তর উপজেলার নলুয়া গ্রামের তাসলিমা বেগম (৪৫), রাঢ়ীকান্দির সেলিনা বেগম (৫৪), মতলব দক্ষিণ উপজেলার খিদিরপুর গ্রামের বাচ্চু মিয়া (৭৫), মতলব পৌরসভার কলাদীর মাজেদা বেগম (৫০), ফরিদগঞ্জ উপজেলার খুরুমখালী গ্রামের জাহানারা বেগম (৬০), ধানুয়া গ্রামের যোগমায়া দাস (৭০), কচুয়া উপজেলার মধুপুরের রাফিজা খাতুন (৪০), লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুরের চরপাতা গ্রামের রোকেয়া বেগম (৬০) এবং পাশের রামগঞ্জ উপজেলার রাঘবপুর গ্রামের রহিমা খাতুন (৭৫)।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৬৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২৬০ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। এতে আক্রান্তের হার ৩৮.০২ শতাংশ। এতে আগের চার দিনের হিসেবে সংক্রমণের হার কমেছে।

অন্যদিকে চাঁদপুরে এই পর্যন্ত ১১ হাজার ৭০৮ জনের মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর করোনা পজিটিভ নিয়ে মারা গেছেন ১৮৭ জন এবং উপসর্গ নিয়ে আরো পাঁচ শতাধিক। এর মধ্যে সাড়ে সাত হাজার সুস্থ হলেও এখনো হাসপাতালে ১২০ জন এবং চার হাজার ৮০ জন বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

চাঁদপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাখাওয়াত উল্লাহ জানান, গ্রামে যারা আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। ফলে শত চেষ্টা করেও সুস্থ করে তোলা যায় না। মূলত শ্বাসকষ্ট তীব্র হয়ে অক্সিজেন সংকটেই মারা যাচ্ছেন এসব রোগী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এমন পরিস্থিতিতে গত বুধবার চালু হওয়ার পর থেকে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট থেকে একসঙ্গে ৫০ জনের বেশি রোগীকে অক্সিজেন সরবরাহ করা যাচ্ছে না। অন্যদের সিলিন্ডার থেকেই অক্সিজেন দিতে হয়। যে কারণে যাদের অক্সিজেনের পরিমাণ খুব কম তাদের জন্য সিলিন্ডারের অক্সিজেনের চাপ যথেষ্ট নয়। আর এতে তখন মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ অবস্থায় হাসপাতালে রোগীর চাপ বৃদ্ধি পেলেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে যায়। তা ছাড়া মুমূর্ষু রোগীদের জীবন রক্ষায় অনেকেই ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছেন।



সাতদিনের সেরা