kalerkantho

বুধবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৮। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২১ সফর ১৪৪৩

চান্দিনায় ভিড় ঠেলে নিতে হচ্ছে টিকা

চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

৫ আগস্ট, ২০২১ ২১:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চান্দিনায় ভিড় ঠেলে নিতে হচ্ছে টিকা

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা গেছে, টিকা গ্রহণ করতে প্রতিদিন শতশত মানুষ হাসপাতালে ভিড় জমাচ্ছেন। হাসপাতালের টিকা প্রদানের বুথ থেকে দীর্ঘ লাইন বাইরে চলে আসছে। গাদাগাদি করে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষার মধ্য দিয়ে টিকা গ্রহণে নারী-পুরুষের ভিড়। একটি কক্ষে ২ জন নার্স টিকা প্রদান করছেন। তাদের কাজে সহযোগিতা করছেন আরো চারজন। তারপরও ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

অপরদিকে, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও। ঠাণ্ডা-কাশিসহ নানা উপসর্গ নিয়ে নমুনা পরীক্ষা করাতেও ভিড় জমাচ্ছেন শতাধিক রোগী। সেখানেও নেই সামাজিক দূরত্ব। পরীক্ষায় ৩০-৪০ শতাংশ রোগীর মাঝে করোনা শনাক্ত হলেও লাইনে দাঁড়ানো বাকিদের শনাক্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে বেশি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি অনেক বেশি বলে মনে করেন টিকা গ্রহীতা থেকে শুরু করে নমুনা প্রদানকারীরা।

চান্দিনায় নমুনা প্রদান করতে আসা রহিমা বেগম জানান, এখানে যারা নমুনা দিতে এসেছেন নিশ্চিয় সকলের রিপোর্ট পজিটিভ আসবে না। আবার যাদের পজিটিভ তারাও সকলের সাথে গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। এতে সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। নমুনা পরীক্ষা দিতে আসাদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করা একান্ত জরুরি।

টিকা নিতে আসা শাসমছুল হক জানান, এখানে কোনো শৃঙ্খলা নেই। ডাক্তারদের কথা শুনছেন না কেউ। কার আগে কে টিকা নেবে সেই চিন্তা। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব।

চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তানভীর হাসান বিষয়টি স্বীকার করে জানান, প্রতিদিন গড়ে ৫০০ মানুষ টিকা গ্রহণ করছেন। শতাধিক রোগী নমুনা দিচ্ছেন। আমার কি সেবাই দেব না শৃঙ্খলা রক্ষা করব। একদিকে লাইনে দাঁড় করালে অন্যদিকে আরেকটি লাইন সৃষ্টি হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের নিজস্ব কোনো বাহিনী নেই। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট আনসার প্রদানের সহযোগিতা চেয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আশরাফুন নাহার এর ব্যবহৃত ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 



সাতদিনের সেরা