kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

সংকেত দেওয়া কনস্টেবলকে পিষে দিল মাইক্রোবাস

সাতকানিয়া প্রতিনিধি   

৫ আগস্ট, ২০২১ ১৫:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সংকেত দেওয়া কনস্টেবলকে পিষে দিল মাইক্রোবাস

মো. রাব্বি ভূঁইয়া।

সাতকানিয়ায় দায়িত্বরত অবস্থায় মাইক্রোবাসের চাপায় দোহাজারী হাইওয়ে থানার এক কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে হাইওয়ে থানার সামনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে লকডাউনের দায়িত্ব পালনকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মো. রাব্বি ভূঁইয়া (২২) নরসিংদির পলাশ থানার মালিথা চরসিন্দু এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে। 

এ ঘটনায় মো. আরাফাত হোসেন (২১) নামের অপর এক কনস্টেবল আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে দোহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকে দোহাজারী হাইওয়ে থানার এসআই মো. ফারুক ও এএসআই মো. আদম আলীর নেতৃত্বে মো. রাব্বি ভূঁইয়াসহ পুলিশ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে লকডাউনের দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় চট্টগ্রামমুখী বেপরোয়া গতির যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাসকে (নং-চট্টমেট্রো- চ- ১১-৫২২৫) থামানোর জন্য সংকেত দেওয়া হয়। চালক গাড়ির গতি কিছুটা কমিয়ে পরে আবার দ্রুতগতিতে টান দিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় মাইক্রোবাসচাপায় কনস্টেবল মো. রাব্বি ভূঁইয়া ঘটনাস্থলে নিহত হন। 

এদিকে, ঘাতক মাইক্রোবাসটিকে পেছন দিক থেকে লোকজন ধাওয়া করলে দোহাজারীতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় আরেকটি গাড়িতে ধাক্কা দিয়ে ফেলে রেখে চালক পালিয়ে যায়। পরে মাইক্রোবাসটি জব্দ করে হাইওয়ে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। 

দোহাজারী হাইওয়ে থানার এএসআই মো. আদম আলী জানান, আমরা সকাল থেকে থানার সামনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে লকডাউনের দায়িত্ব পালন করছিলাম। বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রামমুখী দ্রুতগামী মাইক্রোবাসটিকে আমরা থামানোর জন্য সংকেত দিলে চালক প্রথমে গাড়ির গতি কিছুটা কমিয়ে দেয়। পুলিশ গাড়ির কাছাকাছি গেলে চালক মাইক্রোবাসের গতি বাড়িয়ে পুলিশকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে কনস্টেবল রাব্বি ঘটনাস্থলে নিহত এবং আরাফাত আহত হন।

তিনি আরো জানান, লকডাউনে যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও এ মাইক্রোবাসটি লকডাউন অমান্য করে যাত্রী পরিবহন করছিল।
 
দোহাজারী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুর রব জানান, নিহত রাব্বির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছি। এ ব্যাপারে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



সাতদিনের সেরা