kalerkantho

শনিবার । ১০ আশ্বিন ১৪২৮। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৭ সফর ১৪৪৩

‘লকডাউনে’ও মহাসড়কে থেমে নেই নিষিদ্ধ যানবাহন

আসাদুজ্জামান নূর, সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)   

৪ আগস্ট, ২০২১ ১৭:৪১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘লকডাউনে’ও মহাসড়কে থেমে নেই নিষিদ্ধ যানবাহন

সরকারের ‘কঠোর লকডাউন’র মধ্যেও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে নিষিদ্ধ অটোরিকশা, সিএনজি, ভাড়ায়চালিত মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও হায়েজ গাড়ি। মহাসড়কের ওপর দিয়ে যাত্রী আনা-নেওয়া করছেন চালকরা। এতে সরকারের দেওয়া ‘লকডাউন’ কোনোভাবেই বাস্তবায়ন হচ্ছে না।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় শিমড়াইল এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকটি প্রাইভেটকার, হায়েজ, মাইক্রোবাস যাত্রীবোঝাই করছে। তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, ‘আমরা লকডাউনের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাত্রীদের আনা-নেওয়ার কাজ করছি। ‘কঠোর লকডাউনে’ কিভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করছেন জানতে চাইলে গাড়ির ড্রাইভার বলেন, ‘আমরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছি।’

কুমিল্লাগামী যাত্রী রহমত উল্লাহর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘‘আমি জরুরি প্রয়োজনে বাড়িতে যাওয়ার জন্য শিমড়াইল এলাকায় এসে এক প্রাইভেটকার চালকের সাথে কথা বলি, চালক বলেন, ‘দুই হাজার টাকা ভাড়া দিলে কুমিল্লা যেতে পারবেন’। তাদের কাছে জানতে চাই কেন এত বেশি ভাড়া আদায় করছেন। তার বলেন,‘স্থানীয় চাঁদাবাজদের বেশির ভাগ টাকাই দিয়ে দিতে হয়। তাই বাধ্য হয়েই আমরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছি’’।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সরকার নিষিদ্ধ অটোরিকশা, সিএনজি প্রতিনিয়তই মহাসড়কের সাইনবোর্ড, চিটগাংরোড, কাচপুর, মদনপুর, মোগড়াপাড়া চৌরাস্তা, মেঘনা ঘাট পর্যন্ত চলাচল করছে। প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত চলাচল করছে। কাচপুর হাইওয়ে পুলিশের নাকের ডগায় একল নিষিদ্ধ যানবাহন চলাচল করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চালকদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না পুলিশ। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করলেও আটকের পর ছেড়ে দেওয়া হয়।

কাচপুর হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান কালের কণ্ঠকে জানান, সরকার ঘোষিত লকডাউনে মহাসড়কে থ্রি হুইলারসহ বিভিন্ন পরিবহন বন্ধ করার জন্য আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি।

হাইওয়ে পুলিশের গাজিপুর রিজোনের পুলিশ সুপার আলী আহমদ খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মহাসড়কে নিষিদ্ধ থ্রি হুইলার যেন না চলতে পারে সেজন্য বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’



সাতদিনের সেরা