kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৮। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২০ সফর ১৪৪৩

কাশিনগরে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে আনন্দিত উপকারভোগীরা

অনলাইন ডেস্ক   

৩ আগস্ট, ২০২১ ১৮:৩৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কাশিনগরে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে আনন্দিত উপকারভোগীরা

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ১২৫টি পরিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার দুকক্ষ বিশিষ্ট সেমিপাকা ঘর পেয়ে আনন্দিত। তার মধ্যে কাশিনগর ইউনিয়নে ২৮টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরই মধ্যে কাশিনগর ইউনিয়নে ২২টি ঘর উপকারভোগীরা বুঝে পেয়েছেন।

কাশিনগর ইউনিয়নের উপকারভোগী সাজেদা বেগম বলেন, সন্তানদের নিয়ে পরের জমিতে থাকতি হবে না, আমরা পরের ভিটায় থাকি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমারে জমিসহ ঘর দেছে। আমার সন্তানদের নিয়ে পরের জমিতে থাকতে হবে না। এখন আমি আর ভূমিহীন-ঘরহীন না। আমি প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করি। চৌদ্দগ্রামের এমপি মুজিবুল হক, প্রশাসন ও কাশিনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ। ওনাদের সহযোগিতায় আজ আমি পরিবার নিয়ে নতুন ঘরে আছি।

আবুল খায়ের নামে আরেক উপকারভোগী বলেন, আমার জায়গ-জমি ছিল না। নদীর পাড়ে থাকতাম। জীবনে অনেক কষ্ট করেছি। এখন আমাদের মা জননী হাসিনা জায়গা দিয়েছে, ঘর দিয়েছে আমি তাতে অনেক খুশি। তার জন্য নামাজ পড়ে মোনাজাত করব। আমাদের মতো গরিবদের পাশে যেন তিনি সারাজীবন থাকতে পারে। আমাদের চোখের পানিটা যেন মুছে যায়। দোয়া করি প্রধানমন্ত্রী সারা পৃথিবীর কাছে সম্মান পায়।

কাশিনগর ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ঘর পরির্দশনে এসে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মনজুরুল হক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ ঘর প্রদানের উদ্যোগ নেন। তারই অংশ হিসেবে কুমিল্লা জেলায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে ১৮৫ টি ঘরের মধ্যে ১২৫টি পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক জমিসহ ঘর প্রদান করা হয়েছে। ঘরে কাজ অনেক ভালো হয়েছে, নতুন ঘরে উপকারভোগীরা অনেক খুশি। বাকি পরিবারকে দ্রুততম সময়ে জমি ও ঘর হস্তান্তর করা হবে। 

কাশিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন বলেন, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন-গৃহহীনদের জমিসহ ঘরে দেওয়া এটা প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নে ২৮টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার প্রধানমন্ত্রীর দয়া ও চৌদ্দগ্রামের মাটি ও মানুষের নেতা সাবেক সফল রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হকের সহযোগিতায় জমিসহ ঘর পেয়েছে। এরই মধ্যে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ড স্যারের দিক-নির্দেশনায় ও পরামর্শে ২২টি পরিবারকে ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার নতুন ঘরে উঠে এখন খুশিতে আত্মহারা। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে আমরা তাদেরকে ভিজিডি কার্ড করে দিয়েছি এবং হাঁস, মুরগি পালন করে তারা যাতে স্বাবলম্বী হবে পারে আমরা উৎস প্রদান করেছি।



সাতদিনের সেরা