kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ আশ্বিন ১৪২৮। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৫ সফর ১৪৪৩

চাঁদপুরে করোনা রোগীদের অক্সিজেন সিলিন্ডার দিল সেনাবাহিনী

চাঁদপুর প্রতিনিধি    

৩ আগস্ট, ২০২১ ১৫:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাঁদপুরে করোনা রোগীদের অক্সিজেন সিলিন্ডার দিল সেনাবাহিনী

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে চাঁদপুরে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা স্বাস্থ্যবিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে ১০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার তুলে দেন কুমিল্লা সেনানিবাসের প্রধান, ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর হারুন। এসময় গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, দেশের দুর্যোগকালীন প্রতিটি মুহূর্তে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা দিতে সবসময় প্রস্তুত। তাই অতিমারি এই করোনার বিস্তারেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসুস্থ পীড়িত এবং কর্মহীন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, অতীতের মতো এখনো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের জীবনবাজি রেখে মাঠে কাজ করছে।

এসময় কুমিল্লা সেনানিবাসের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আলিদ চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিনুল আকবর, কর্ণেল ইমরু আল কায়েস, লে. কর্ণেল খায়রুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাখাওয়াত উল্লাহ, চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হাবিব উল করিম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাসির উদ্দিন সরোয়ার, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান জুয়েল, প্রেসক্লাব সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটোয়ারীসহ উর্ধ্বতন সেনা ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে করণীয় শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর হারুন। এসময় চাঁদপুরে করোনা বিস্তার ও প্রতিরোধ সম্পর্কে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে চাঁদপুরে করোনার বিস্তাররোধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অব্যাহত সহযোগিতার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

এতে জেলা প্রশাসন, স্বাস্থবিভাগ, পুলিশ পুলিশ সুপার, র‍্যাব কমান্ডার, কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডার, আনসারের জেলা কমান্ড্যান্ট, বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। 

এদিকে, চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১৩ জন। একই সঙ্গে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬৫ জন। শনাক্তের হারে মোট আক্রান্ত ৩৮.৯০ ভাগ। আর সব মিলিয়ে এই পর্যন্ত সাড়ে ১০ হাজারেরও বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। শুরু থেকে করোনায় মারা গেছে ১৭৩ জন এবং উপসর্গ নিয়ে আরো সাড়ে ৪ শতাধিক। 



সাতদিনের সেরা