kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ আশ্বিন ১৪২৮। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৩ সফর ১৪৪৩

চবিতে গবেষণা : এডিস মশার লার্ভা মিলেছে চট্টগ্রামের ১৫ স্পটে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১ আগস্ট, ২০২১ ১৭:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চবিতে গবেষণা : এডিস মশার লার্ভা মিলেছে চট্টগ্রামের ১৫ স্পটে

চট্টগ্রাম নগরের ১৫টি স্পটে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) একদল গবেষক। নগরের ৫১ স্পটের নমুনায় ১৫টিতেই ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন তারা। আজ রবিবার দুপুরে এ তথ্য জানান ছয় সদস্যের ওই গবেষকদলের আহ্বায়ক ও চবি প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) আহ্বানে আমরা মশকনিধনে নগরে প্রয়োগ করা ওষুধের কার্যকারিতা যাচাই করতে গবেষণা চালাই। গবেষণার জন্য গত ৫ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম নগরের ১০০টি স্পট পরিদর্শন করে ৫১টি স্পটের মশার লার্ভা সংগ্রহ করি। তা ছাড়া পরীক্ষার সুবিধার্থে চবি ও তার পার্শ্ববর্তী ছয়টি স্পটের লার্ভাও সংগ্রহ করা হয়। পরে পরীক্ষাগারে নগরের ৫১ স্পটের নমুনা পরীক্ষা করে ১৫টি স্পটে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেছে। তিনি আরো বলেন, সাধারণত লার্ভা থেকে দু-তিন দিনের মধ্যে মশার জন্ম হয়। এসব লার্ভায় এর মধ্যে মশা তৈরি হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই বিস্তারিত প্রতিবেদন চসিকে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।

এডিস মশার লার্ভা নগরের কোন কোন স্থানে পাওয়া গেছে জানতে চাইলে ড. রবিউল হাসান বলেন, আপাতত আমরা স্থান প্রকাশ করতে চাই না। এটি প্রকাশ করলে ভীতি ছড়াতে পারে। তবে বিস্তারিত প্রতিবেদনে স্থান উল্লেখ থাকবে।

জানা গেছে, নগরে মশকনিধনে প্রয়োগ করা ওষুধের কার্যকারিতা যাচাই করতে চবি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করে চসিক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম। তার আমন্ত্রণে গত ১৪ মার্চ চসিক কার্যালয়ে আসেন চবি শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধিদলে ছিলেন চবির প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক ড. রবিউল হোসেন ভূঁইয়া, সহযোগী অধ্যাপক ড. ওমর ফারুক রাসেল ও কাজী নুর সোহাত।

জানা গেছে, গত বছর ওষুধ ছিটানোর পরও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় মশার উৎপাত না কমায় পরীক্ষার জন্য ডিসেম্বরে বিসিএসআইআর (বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ) গবেষণাগারে লার্ভিসাইড (মশার ডিম ধ্বংসকারী ওষুধ) এবং এডালটিসাইড (পূর্ণাঙ্গ মশা ধ্বংসকারী) পাঠায় চসিক কর্তৃপক্ষ। তবে সে সময় সংস্থাটি চসিককে জানায়, মশার ওষুধের গুণগত মান তাদের ল্যাবে পরীক্ষা করা হয় না।



সাতদিনের সেরা