kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

'নদী খায় ঘর-ভিটে, পাই শুধু ত্রাণ'

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

৩১ জুলাই, ২০২১ ১৭:৪৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'নদী খায় ঘর-ভিটে, পাই শুধু ত্রাণ'

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের আংগারিয়া ও বাহেরচর গ্রামে নদী ভাঙনে এলাকাবাসী সর্বস্ব হারাতে বসেছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ প্রায় ২-৩ একর জমি নিয়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে অনেকের কৃষিজমি, গাছপালা ও বসতঘরের ভিটি-মাটি বিলীন হয়ে গেছে। 

ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- মিলন মিরা, মামুন মিরা, ফয়সাল মিরা, দুলাল হাওলাদার, জলিল সিকদার, ফরিদা, ক্ষিতিষ ঘরামী, হিমান্ত ওঝা, পান্টু পাইক, বিমল রায়, বশির হাওলাদার, শাহআলম হাওলাদার, পরিমল পাইক, জাকির হাওলাদার, রুহুল আমিন হাওলাদারসহ আরো অনেকে।

হঠাৎ বিলীন হওয়ার সময় জমিতে কৃষি কাজ করতে যাওয়া ১২-১৪ জন লোক নদীতে ঢেউয়ের সাথে পড়ে যায়। এদের মধ্যে গুরুতর আহত হয় বশির এবং আরাফাত। 

এই বিষয়ে এলাকাবাসী একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। আংগারিয়া ইউনিয়নের আংগারিয়া ও বাহেরচর গ্রামের দীর্ঘ ৬০ বছর যাবত এই নদী ভাঙন শুরু হলেও এখনও শেষ হয়নি। নদী ভাঙন বৃদ্ধি পেয়ে গ্রামের চিত্র পাল্টে গেছে বলে জানান স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার ও বর্তমান ইউপি সদস্য মো. শাহীন গাজী।

এলাকার বাসিন্দা তরিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের এমনই অবস্থা হয়েছে যে, মাথাগোঁজার ঠাঁই নেই। ঘর বাড়ি ভেঙে যাওয়ায় প্রতিবছর নতুন ঘর তৈরি করতে হয়। সরকার দেয় শুধু ত্রাণ। অনেকের ভিটে-মাটি না থাকায় অন্যের বাড়ির আঙ্গিনায় ও রাস্তার পাশে ঘরতুলে দিনযাপন করছে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ জানান, বিষয়টি ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা করে সহযোগিতা করা হবে।



সাতদিনের সেরা