kalerkantho

শনিবার । ১০ আশ্বিন ১৪২৮। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৭ সফর ১৪৪৩

‘উনারা ত হুকুম দিয়াই খালাস’

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি    

৩১ জুলাই, ২০২১ ১৫:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘উনারা ত হুকুম দিয়াই খালাস’

‘উনারা ত হুকুমের মালিক, হুকুম দিয়াই খালাস। করোনা পরিস্থিতিতে সারাদেশে লকডাউন চলতাছে, যারবাহন বন্ধ। দূর-দূরান্তের হাজার হাজার শ্রমিক কেমনে যাইব? হেই চিন্তা ত তাইনেগর মাতাত নাই। উচিত ছিল শ্রমিকদের যাওয়ার ব্যবস্থা করা। কিন্তু তা ত তারা করেন নাই। তারা আছে খালি হুকুম দেওয়ার তালে।’ আজ শনিবার (৩১ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে ময়মনসিংহের ভালুকা বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ক্ষোভের সাথে কথাগুলো বলছিলেন মো. শামছুল হক, মো. আতাউর রহমানসহ একাধিক শ্রমিক। তারা সবাই ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন।

তারা জানান, গাজীপুরায় যাওযার জন্যে বিভিন্ন যানবাহনে করে কয়েকগুণ ভাড়ায় তারা সেই সকালে নান্দাইল থেকে এসেছেন এবং ঢাকার যাওয়ার উদ্দেশে ভালুকা বাসস্ট্যান্ডে কয়েক ঘণ্টা ধরে দাাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু যেতে পারছেন না।

আজ শনিবার দুপুরে ভালুকা বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকার দিকে যাওয়ার জন্যে গাড়ির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন শতশত শ্রমিক। লকডাউনে দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ থাকায় গন্তব্যে যেতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন তারা। যাত্রীবাহী বাস না থাকায় রিকশা, সিএনজি বা অটোরিকশায় ভেঙে ভেঙে গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে শ্রমিকদের। আর এ সুযোগে শ্রমিকদের কাছ থেকে কয়েকগুণ ভাড়া হাতিয়ে নিচ্ছেন ছোট ছোট যানসহ পিকআপ-ট্রাকচালকরা। 

মুক্তাগাছা থেকে আসা আছমা আক্তার, নাজমাসহ একাধিক নারী পোশাকশ্রমিক জানান, ঈদের ছুটিতে তারা বাড়িতে গিয়ে ছিলেন। তাদের ধারণা ছিল লকডউনের মাঝে কারখানা হয়তো খুলবে না। ফলে, অনেকটা নিশ্চিন্তেই ছিলেন তারা। কিন্তু গত শুক্রবার (৩০ জুলাই) রাতে তারা কারখানা খোলার বিষয়ে জানতে পেরেছেন। আগামীকাল রবিবার (১ আগস্ট) থেকে কারখানা খোলা। কী আর করা, শত কষ্ট হলেও যেতে তাদের হবেই। ট্রাকে গাদাগাদি করে যাওয়া মো. খায়রুল ইসলাম নামের এক শ্রমিক জানান, এভাবে গায়ে গা লাগিয়ে যাওয়ায় করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা আছে জেনেও চাকরি রক্ষার স্বার্থে যাচ্ছেন তিনি। 



সাতদিনের সেরা