kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ আশ্বিন ১৪২৮। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৫ সফর ১৪৪৩

ব্যক্তি উদ্যোগে সড়ক সংস্কার

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

৩০ জুলাই, ২০২১ ২২:১০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ব্যক্তি উদ্যোগে সড়ক সংস্কার

প্রবল বর্ষণে কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের ডুমখালীসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের জনগণের একমাত্র রাস্তাটি চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়ে। যানবাহন চলাচল করতে না পারায় এতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। এনিয়ে জোর দাবি উঠলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা সরকারিভাবে সড়কটি চলাচল উপযোগী করতে কেউই এগিয়ে আসেনি।

এই পরিস্থিতিতে জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে এসেছেন কালের কণ্ঠ শুভসংঘ চকরিয়া শাখার উপদেষ্টা সদস্য ও উপজেলা যুবলীগ নেতা প্রকৌশলী হাসানুল ইসলাম আদর। জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আদর তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ডুমখালী সড়কটির প্রায় ২০০ ফুট পর্যন্ত চলাচল উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেন। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ব্যক্তিগত অর্থায়নে প্রয়োজন মতো বালু, মেকাডম ব্যবহার করেন। এই কাজে তিনি একটি রোলার মেশিন, একটি পেলোডার, একটি এক্সকাভেটর, দুটি ড্রাম ট্রাকও ব্যবহার করেন। ডুমখালীর এই সড়কটির চলাচল উপযোগী করতে তার ব্যয় হয়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকা।

এ ছাড়াও শুভসংঘের উপদেষ্টা প্রকৌশলী হাসানুল ইসলাম আদর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে গত দুইবছর ধরে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের অলি-গলিতে ব্যাপকভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। ইতোমধ্যে বড় ধরণের দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছেন পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন ছড়ার ওপর দুই লাখ টাকা ব্যয়ে জাফর আলম কাঠের সেতু, রংমহল এলাকায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে সড়ক নির্মাণসহ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, কবরস্থানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনায় আর্থিকভাবে সহায়তা দিয়ে আসছেন। অপরদিকে সামাজিক দায়বদ্ধতায় শীতবস্ত্র, ত্রাণ বিতরণসহ যেকোনো মানবিক কাজ নিয়ে সর্বদা এলাকায় তৎপর রয়েছেন হাসানুল ইসলাম আদর।

ডুলাহাজারা ইউনিয়নের উন্নয়ন সচেতন অনেকে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের আদর এলাকার জন্য আশীর্বাদে পরিণত হয়ে উঠেছেন। তিনি এলাকার যেখানেই সমস্যা দেখছেন তা সমাধানে তাৎক্ষণিকভাবে এগিয়ে আসছেন। প্রকৃতপক্ষে এলাকার মানুষ তার সহযোগীতার মনোভাবে উপকৃত হচ্ছে। তার জন্য আমরা দোয়া করি।’

এসব প্রসঙ্গে কালের কণ্ঠ শুভসংঘ চকরিয়া শাখার উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা যুবলীগ নেতা প্রকৌশলী হাসানুল ইসলাম আদর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি ঠিকাদারি ও ব্যবসা করে সফল হয়েছি। আমার জন্মস্থান হচ্ছে ডুলাহাজারায়। তাই ডুলাহাজারার মানুষের জন্য আমি সবসময় নিবেদিত। তাদের দুঃখ-কষ্টের সারথী হয়ে বাকী জীবন কাটিয়ে দিতে চাই। এজন্য এলাকার কোথাও কোনো সমস্যা দেখা দিলে চুপ করে বসে থাকতে পারি না। এলাকার জনগণও আমাকে প্রকৃতপক্ষে ভালবাসেন এবং দোয়া করেন বলেই তাদের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিতে পারছি।’



সাতদিনের সেরা