kalerkantho

শুক্রবার । ২ আশ্বিন ১৪২৮। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ৯ সফর ১৪৪৩

ব্যবসায়ীকে মারধর করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিলেন চেয়ারম্যান

হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি   

৩০ জুলাই, ২০২১ ১৬:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যবসায়ীকে মারধর করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিলেন চেয়ারম্যান

অভিযুক্ত চেয়ারম্যান।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় এমদাদুল হক নামে এক ব্যবসায়ীকে গ্রামপুলিশ (চৌকিদার) দিয়ে ধরে নিয়ে মারধর করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী এমদাদুল হক চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেলের বিরুদ্ধে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও হাতীবান্ধা থানায় পৃথক পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। আর ভুক্তভোগী এমদাদুল হক ওই উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের দালালপাড়া গ্রামের তরিমুদ্দিনের ছেলে। বড়খাতা বাজারে এমদাদুলের একটি যন্ত্রাংশের দোকান আছে।

জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেলের হুকুমে শফিকুল ইসলামসহ ৩ জন এমদাদুল হককে ধরে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। পরে চেয়ারম্যান ও গ্রাম পুলিশ তাকে মারধর করে ১০টি জমির দলিলে (স্ট্যাম্প) স্বাক্ষর নেয়। এ ঘটনায় এমদাদুল হক বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমিন ও হাতীবান্ধা থানায় দুটি পৃথক পৃথক অভিযোগ দাখিল করেন।

ভুক্তভোগী এমদাদুল হক বলেন, চেয়ারম্যান ও গ্রাম পুলিশ আমাকে মারধর করে জোরপূর্বক ১০টি জমির দলিলে (স্ট্যাম্প) স্বাক্ষর নেয়। আমি অভিযোগ করেছি এর সঠিক বিচার চাই।

বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল বলেন, মারধর এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তহীন। ফকিরপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অসুস্থ হওয়ায় আমি এমদাদুলের সাথে তার ভাইদের জমিজমা নিয়ে একটি বিবাদের মীমাংসা করে দিয়েছি।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমিন বলেন, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা