kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সঙ্গেও প্রতারণা, শিক্ষা উপবৃত্তির টাকা নিয়ে নয়-ছয়!

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২৮ জুলাই, ২০২১ ২১:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সঙ্গেও প্রতারণা, শিক্ষা উপবৃত্তির টাকা নিয়ে নয়-ছয়!

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষা উপবৃত্তির টাকা নিয়ে নয়-ছয় করা অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৭ জুন) এনিয়ে চুনারুঘাট উপজেলার হরিণমারা ত্রিপুরা পল্লীর হেমেন্দ্র দেববর্মাসহ ১০ জন স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দাখিল করেন।

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট হরিণমারা ত্রিপুরা পল্লীর ও কালিকাপুর হাইস্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী সীতা রানী দেববর্মা জানায়, ওই গ্রামের লিটন মিয়া ও নাসিমাবাদ চা বাগানের পলাশ হাজং তাদের পল্লীর অনেক ছাত্র-ছাত্রী কাছ থেকে উপবৃত্তির টাকার কমিশন হিসেবে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এমন অভিযোগ করেন অনেক ছাত্র-ছাত্রীও।

শিক্ষা উপবৃত্তি, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ও মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ সরকারের বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার নাম করে অনেকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ আছে। সুবিধা বঞ্চিতরা টাকা ফেরত ও সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বললে, লিটন ও পলাশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখায়। এমন অবস্থায় নিরুপায় হয়ে তারা বিচারের আশায় জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। 

উপজেলার কালেঙ্গা মঙ্গইলাবাড়ীর আনজু দেববর্মা জানান, মঙ্গইলাবাড়ীর আদিবাসীদের নিয়ে পলাশ হাজং একটি আদিবাসী সমিতি করে। আদিবাসী সমিতির সদস্যদের নামের সরকার, অটোরিকশা (সিএনজি), পাওয়ারটিলার, সৌর বিদ্যুৎসহ সরকারি অন্যান্য অনুদান দেন। পলাশ হাজং সঞ্চয়ী টাকাসহ সমিতির সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করে।

এনিয়ে কথা বললে লিটন ও পলাশ অভিযোগ অস্বীকার করেন। চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সত্যজিত রায় দাশ বলেন, এমন একটি অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা