kalerkantho

সোমবার । ৫ আশ্বিন ১৪২৮। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১২ সফর ১৪৪৩

পুলিশ পাহারায় মামলা করলেন সেই নরসুন্দর

বামনা (বরগুনা) প্রতিনিধি   

২৮ জুলাই, ২০২১ ১৯:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুলিশ পাহারায় মামলা করলেন সেই নরসুন্দর

পুলিশ পাহারায় মামলা করেছেন নির্যাতনের শিকার সেই নরসুন্দর। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) গভীর রাতে অসীম শীল বাদী হয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলায় আরো ২০-২৫ জরকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

এর আগে, ভোট না দেওয়ায় ওই নরসুন্দরকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যায় বামনা উপজেলার ৩নম্বর রামনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জমাদ্দারের বিরুদ্ধে। তার ভয়ে মামলা করতে পারছিলেন না বলেও অভিযোগ। ভুক্তভোগী নরসুন্দ আসীম রামনা ইউনিয়নের গোলাঘাটা গ্রামের বিমল চন্দ্র শীলের ছেলে। 

মামলার আসামিরা হলেন- মো. ফরিদ (৩৫), বাপ্পি জমাদ্দার (৪২), রাজু জমাদ্দার (৪০), রিপন সিকদার (৪২), মো. ফোরকান (২৫), মো. কালাম (৪০), নির্মল চন্দ্র দাস (৪০), নজরুল ইসলাম জমাদ্দার (৪৫), নান্না গাজী (৪০), তপন সিকদার (৩২) ও খোকন মিস্ত্রী (৩২)।

অসীম চন্দ্র শীল কালের কণ্ঠকে বলেন, সদ্য সমাপ্ত হওয়া ইউপি নির্বাচনে আমি ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আ. খালেক জমাদ্দারের কর্মী ছিলাম। নির্বাচনে আমার প্রার্থী পরাজিত হওয়ার পর সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জমাদ্দার আমাকে এলাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়। ঘটনার দিন চেয়ারম্যানের এক কর্মী আমাদেও এক ছোট ভাইকে মারধর করে। আমরা বিষয়টি তাকে জানাতে রামনা বৈকালীন বাজারে যাই। আমরা তাঁর কাছে যাওয়ার সাথে সাথে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে হামলা চালায় আসামিরা।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বামনা থানার এসআই অসীম চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, গত মঙ্গলবার রাতে মামলাটি আমি হাতে পেয়েছি। ঝড়ো হাওয়ায় বিদ্যুত না থাকায় অনেক কাগজপত্র তৈরি করা বাকি রয়েছে।

ওসি মো. বশিরুল আলম বলেন, গত মঙ্গলবার রাতে অসীম চন্দ্র শীল বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আমরা তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবো।     

বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর মল্লিক বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। হামলায় আহতদের প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলেছি। নির্যাতিতদের পক্ষে এজাহার নিয়ে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে।  



সাতদিনের সেরা