kalerkantho

বুধবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৮। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২১ সফর ১৪৪৩

'সবার নাম বলে দেব' বলায় আয়মনাকে হত্যা করা হয় ধর্ষণের পর!

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, রংপুর   

২৭ জুলাই, ২০২১ ১৫:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'সবার নাম বলে দেব' বলায় আয়মনাকে হত্যা করা হয় ধর্ষণের পর!

নিহত আয়মনা বেগম।

রংপুরের বদরগঞ্জে মোবাইল ফোনে রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর আয়মনা বেগম (৩০) নামে এক নারীকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তহিদার রহমান (৩২) ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

সোমবার (২৬ জুলাই) রাতে তাকে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়ন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বদরগঞ্জ আমলি আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেন তহিদার রহমান।

শনিবার (২৪ জুলাই) উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের বরকতপুর ডাঙ্গাপাড়া এলাকা গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় আয়মনার লাশ পুলিশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঈদে নানিবাড়ি বেড়াতে এসে হত্যার শিকার হন তিনি।

পুলিশ জানায়, আয়মনার সঙ্গে তার স্বামী রাশেদুলের প্রায় দুই বছর আগে বিচ্ছেদ হয়। এরপর নানিবাড়ি এলাকার তহিদার রহমানের সঙ্গে তার সখ্য গড়ে ওঠে। ওই সম্পর্কের জেরে গত শনিবার রাতে তহিদার রহমান মোবাইলে ফোন করে আয়মনাকে বাইরে ডেকে নেন। সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা দুই বন্ধুসহ তহিদার সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন।

ধর্ষণের বিষয়টি সালিস ডেকে 'সবার নাম বলে দেব' বললে আয়মনাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তারা। বাড়ির পাশে একটি নির্জন বাঁশঝাড়ে নিয়ে শ্বাসরোধ করে আয়মনাকে হত্যা করা হয়। পরে গলায় রশি বেঁধে একটি গাছের ডালে তাকে ঝুলিয়ে দেওয়া হলে রশি ছিঁড়ে লাশ মাটিতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। 

এ ঘটনায় আয়মনার ভাই জাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে বদরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত করে তিনজনের জড়িত থাকার কথা জানতে পেরে একই এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে তহিদার রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘নিহত আয়মনার পূর্বপরিচিত ছিল গ্রেপ্তার তহিদার রহমান। মূলত তার অপর দুই বন্ধু মিলে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে বলে তিনি বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তার অপর দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।



সাতদিনের সেরা