kalerkantho

রবিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৮ সফর ১৪৪৩

অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে অভিযান, শ্রমিককে মারধর!

৪ ঘণ্টা উৎপাদন বন্ধ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৫ জুলাই, ২০২১ ০৫:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে অভিযান, শ্রমিককে মারধর!

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে মজুমদার গ্রুপের মালিকানাধীন এ কে অক্সিজেন লিমিটেডের কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় শ্রমিককে মারধরের অভিযোগে চার ঘণ্টা অক্সিজেন উৎপাদন বন্ধ রাখে প্রতিষ্ঠানটি।

শনিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বরপা এলাকায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত হয় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে তার সঙ্গে থাকা এক আনসার সদস্য সেখানকার দায়িত্বরত এক শ্রমিককে মারধর করে বলে অভিযোগ তোলে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

এ কে অক্সিজেন লিমিটেডের পরিচালক জয়নাল আবেদিন জানান, দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি অভিযান আমাদের এখানে পরিচালিত হয়। এ সময় তারা এসেই আমাদের প্রতিষ্ঠান খোলা কেন জানতে চাইলে আমাদের প্রকৌশলী ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্যাখ্যা দে‌ওয়ার সময় আনসাররা আমাদের এক শ্রমিককে মারধর করেন। এ সময় কারখানার কর্মরত ১৭০ জনের মতো শ্রমিকের সবাই ক্ষুব্ধ হয়ে উৎপাদন বন্ধ রাখেন।

তিনি জানান, দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উৎপাদন বন্ধ রাখার পর প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কভিড পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে দ্রুত উৎপাদন শুরু করে। তবে বন্ধ থাকা সময়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার ঘনলিটার অক্সিজেন উৎপাদন ব্যাহত হয়। করোনার এই সময়ে আমাদের শ্রমিকরা ঈদের ছুটি বাদ দিয়ে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। মানুষের জন্য কাজ করে আজ তারা মারধরের শিকার হওয়ায় ক্ষুব্ধ।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম জানান, কোনো শ্রমিককে মারধরের ঘটনা ঘটেনি। লকডাউনে কেন কারখানা খোলা সেটা জানার জন্যই আমরা যাই, অক্সিজেন প্ল্যান্ট জানতে পেরে চলে আসি এবং পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিই। কারখানা কেন উৎপাদন বন্ধ রেখেছে সেটি তারাই বলতে পারবে।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ নুসরাত জাহান জানান, কিছু শিল্প-কারখানা লকডাউন উপেক্ষা করেও খোলা রাখে আর তাই আমরা নিয়মিত অভিযানগুলো করে থাকি। এ রকমই একটি অভিযানই ছিল। অক্সিজেন উৎপাদন হয় জানতে পেরে সেখান থেকে তারা চলে আসে। একটি অভিযোগ আছে মৌখিকভাবে, যে শ্রমিককে মারধর করা হয়েছে। তবে তার সত্যতা আমরা খুঁজে পাইনি এখনো। এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে প্রমাণ পেলে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা