kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৮। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২০ সফর ১৪৪৩

দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনা, নয়নের পর চলে গেলেন ভায়রা হামিদুল

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি   

২৪ জুলাই, ২০২১ ১৩:০৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনা, নয়নের পর চলে গেলেন ভায়রা হামিদুল

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুজন মারা গেছেন। তাদের একজন নয়ন মিয়া (৩০) পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড ফকিরটারী গ্রামের আজিজুল ইসলামের ছেলে। অপরজন বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের তেলিয়ানীকুটি গ্রামের সৈফুর রহমানের ছেলে হামিদুল ইসলাম (২৯)। তারা সম্পর্কে ভায়রা। এর আগে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক নয়ন মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন এবং হামিদুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
 
গতকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার রায়গঞ্জ  বালিকা বিদ্যালয় মোড়ে মিনা বাজার-রায়গঞ্জ সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীর জানান, নয়ন ও হামিদুল সম্পর্কে ভায়রা। তারা ওইদিন সন্ধ্যায় রায়গঞ্জ ইউনিয়নের মিনাবাজার এলাকায় তাদের শ্বশুড়বাড়িতে ঈদের দাওয়াত খেয়ে মোটরসাইকেলে মিনা বাজার-রায়গঞ্জ সড়ক ধরে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে রায়গঞ্জ বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে মোড় ঘুরতেই মোটরসাইকেলটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি সুপারি গাছের সাথে সজোড়ে ধাক্কা খায়। এতে তারা দুজনই গুরুতর আহত হন। 

পথচারীরা ঘটনাস্থল থেকে তাদেরকে উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে মারা যান মোটরসাইকেলচালক নয়ন মিয়া। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় গুরুতর আহত আরোহি হামিদুল ইসলামকে। অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার সময় তিনি মারা যান। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার চাচা আবেদ আলী।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, আহত একজনের পথেই মৃত্যু হয়। অপরজনের অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। শুনেছি সেখানেই তার মৃত্যু হয়েছে।

নাগেশ্বরী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নবিউল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।



সাতদিনের সেরা