kalerkantho

সোমবার  । ১২ আশ্বিন ১৪২৮। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৯ সফর ১৪৪৩

তাড়াশের সেই শিক্ষা কর্মকর্তাকে আইসোলেশনে পাঠাল প্রশাসন

তাড়াশ-রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২৩ জুলাই, ২০২১ ২১:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তাড়াশের সেই শিক্ষা কর্মকর্তাকে আইসোলেশনে পাঠাল প্রশাসন

সিরাজগঞ্জে তাড়াশে কর্মরত সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মাহমুদুর রহমানের মা ও ভাই করোনায় আক্রান্ত হয়ে নাটোর সদর হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। তাদেরকে সহায়তা করতে করোনা ওয়ার্ডে তিনিসহ তার বড়ভাই নাটোরের গুরুদাসপুরের মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফিরোজ আলী আহমেদ এবং অন্যান্য রোগীর আত্মীয় স্বজনেরা অবাধ যাতায়াত শুরু করেন।

এ নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) নাটোরে কর্মরত টেলিভিশন সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন ওই সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মাহমুদুর রহমান ও তার বড় ভাই মো. ফিরোজ আলী আহমেদ। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে টনক নড়ে প্রশাসনের। তারা তাৎক্ষণিকভাবে করোনা ইউনিটে রোগীদের আত্মীয়স্বজনদের যাতায়াত বন্ধ করে দেয়।

কিন্তু সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মাহমুদুর রহমান করোনা ওয়ার্ডে অবাধ যাতায়াত করেও আজ শুক্রবার (২৩ জুলাই) তাড়াশে ফিরে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি তাকে তার উপজেলা কোয়ার্টারে আইসোলেশনে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আকতারুজামান বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। তবে অফিস বন্ধ থাকায় আমার করোনীয় কিছু নেই। তবে একজন সরকারি দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এ ধরনের আচরণ অনাকাঙ্খিত।

তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মেজবাউল করিম বলেন, সাংবাদিকরা ঘটনাটি জানানোর পরপরই তাকে দ্রুত উপজেলা কোয়ার্টারে আইসোলেশনে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।



সাতদিনের সেরা