kalerkantho

রবিবার । ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮। ১ আগস্ট ২০২১। ২১ জিলহজ ১৪৪২

বিরামপুরের ১৫ গ্রামে আজ ঈদ

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি    

২০ জুলাই, ২০২১ ১০:০১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিরামপুরের ১৫ গ্রামে আজ ঈদ

সারা দেশে আগামীকাল বুধবার (২১ জুলাই) মুসলমানদের দ্বিতীয় প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উদযাপনের দিন নির্ধারিত হলেও দিনাজপুরের বিরামপুরের বেশ কিছু পরিবারে আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সকালে উপজেলার দুই ইউনিয়নের ১৫ গ্রামের শতাধিক মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

সকাল সাড়ে ৭টায় উপজেলার জোতবানি ইউনিয়নের খয়েরবাড়ি-মির্জাপুর গ্রামের মসজিদে একই সময় আয়ড়া বাজার মোড় জামে মসজিদে দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৫ গ্রামের শতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করেন। খয়ের বাড়ি মির্জাপুরে ইমামতি করেন মো. দেলোয়ার হোসেন কাজি এবং অন্যটিতে মাওলানা আল-আমিন। দুই জামাতে পুরুষ মুসল্লির পাশাপাশি নারীরাও অংশগ্রহণ করেন।

সরেজমিনে আজ সকালে উপজেলার খয়েরবাড়ি-মির্জাপুর গ্রামের গিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ের আগেই দূর-দূরান্তের গ্রামগুলো থেকে কেউ ভ্যানে, কেউ সাইকেলে চড়ে, কেউ বা মোটরসাইকেলে করে একত্রিত হতে থাকেন। বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিরামপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা। সকাল সাড়ে ৭টায় ওই এলাকার মসজিদে মো. দোলোয়ার হোসেন কাজির ইমামতিতে শুরু হয় ঈদের নামাজ। এতে পুরুষ মুসল্লির পাশাপাশি নারীরাও উপস্থিত ছিলেন। নামাজ শেষে উভয় স্থানে গরু এবং ছাগল কোরবানি করা হয়।

একদিন আগে ঈদ উদযাপন করার বিষয়ে জানতে চাইলে ইমাম মো. দোলোয়ার হোসেন কাজি বলেন, 'সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র তিন ঘণ্টা। এই সময়ের ব্যবধানে দিনের পরিবর্তন হয় না। সে কারণেই একই দিন নামাজ আদায় করা হয়।' তিনি বলেন, 'আবার হযরত মুহাম্মদ (স.) জম্মগ্রহণ করেন ১২ রবিউল আওয়াল সোমবার কিন্তু যদি দিন ধরা হয় তাহলে আমাদের দেশে সেই দিন হয় মঙ্গলবার। আবার রমজানে ২৭ তারিখে আমরা লাইলাতুল কদরের রাতে ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহকে খুঁজি। কিন্তু দিন হিসেবে আমরা একদিন পর সেই রাতকে খুঁজতেছি। এমন বিভিন্ন চিন্তা ও হাদিসি ব্যখ্যার কারণে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উযদাপন করছি।'

দেলোয়ার হোসেন আরো বলেন, '১৯৯৭ সাল থেকে এভাবে নামাজ আদায়ের পরিকল্পনা থাকলেও ২০১৩ সাল থেকে আমার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নামাজ আদায় করছি। তবে গতবারের চেয়ে এবার মুসলিস্নর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।'

বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত বলেন, 'উপজেলায় দুই ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের মুসল্লিরা একত্রিত হয়ে নামাজ আদায় করেন। জামাতে বিশৃঙ্খলা এড়াতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।' 



সাতদিনের সেরা