kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ শ্রাবণ ১৪২৮। ৫ আগস্ট ২০২১। ২৫ জিলহজ ১৪৪২

কপোতাক্ষ নদ থেকে বালু উত্তোলন, হুমকিতে ইউপি ভবন-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি   

১৯ জুলাই, ২০২১ ১৮:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কপোতাক্ষ নদ থেকে বালু উত্তোলন, হুমকিতে ইউপি ভবন-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

যশোরের মণিরামপুরে কপোতাক্ষ নদ দখল করে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মশ্মিমনগর ইউপির খাজুরা কাঁঠালতলা এলাকায় গত তিনদিন ধরে একটি চক্র নদী থেকে কয়েক লক্ষ ঘনফুট বালি উত্তোলন করেছে বলে অভিযোগ। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে নদী তীরবর্তী এক কিলোমিটার বেড়িবাঁধ, ইউপি ভবন, কাঁঠালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন, স্থানীয় বাজার মসজিদ, ৫-৭টি বাড়ি ও শ্মশান। প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেও কাজ বন্ধ করাতে পারেননি। অবশেষে খবর পেয়ে রবিবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা সেখানে হাজির হয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। তারা চলে যাওয়ার পর ফের কাজ শুরু হয়।

মশ্মিমনগর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন বলেন, খাজুরা কাঁঠালতলা হাইস্কুল মাঠে ১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে সরকারি একটি স্থাপনা নির্মিত হচ্ছে। এজন্য মাঠের এক একর জমি বালু ফেলে সাত ফুট উচু করতে মেসার্স আশরাফুল ইসলাম নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হয়। বালু ভরাটের জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকলেও অন্যস্থান থেকে না এনে কপোতাক্ষ নদী কেটে বালি তোলা হচ্ছে। একটি ড্রেজার মেশিন লাগিয়ে গত তিনদিন ধরে কয়েক লক্ষ ঘনফুট বালু তোলা হয়েছে। ফলে নদী তীরবর্তী এক কি.মি. বেড়িবাঁধ, মশ্মিমনগর ইউপি ভবন, খাজুরা কাঁঠালতলা হাইস্কুলের ভবন, বাজারের মসজিদ, শ্মশান ও ৫-৭ টি বসত বাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে। নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় যেকোনো সময় এসব প্রতিষ্ঠান ধ্বসে যেতে পারে। এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আমি কয়েকটি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছি।

এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দেব কুমার বলেন, নদীর তীরে ব্যক্তি মালিকানা জমি থেকে বালি তোলা হচ্ছে। চেয়ারম্যান সহযোগিতা না করায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। আগামী সেপ্টেম্বরের ২৮ তারিখের মধ্যে সরকারি স্থাপনা নির্মাণের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সাইদুর রহমান বলেন, নদী থেকে বালু তোলার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরও যদি কেউ উত্তোলন করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা