kalerkantho

সোমবার । ১১ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৬ জুলাই ২০২১। ১৫ জিলহজ ১৪৪২

সিরাজগঞ্জে পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি ছাড়া সবই আছে

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৭ জুলাই, ২০২১ ১৭:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিরাজগঞ্জে পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি ছাড়া সবই আছে

লকডাউন শিথিল করায় সিরাজগঞ্জের ৯টি উপজেলায় মোট ৩৬টি পশুর হাট বসানোর অনুমোদন দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যেই জেলার বিভিন্ন পশুর হাট জমে উঠলেও মানা হচ্ছে না কোনো স্বাস্থ্যবিধি। এতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারি বিধি-নিষেধের জালে দীর্ঘদিন হাট বন্ধ থাকায় জেলার মানুষেরা কোরবানির পশু ক্রয় এবং বিক্রয় নিয়ে বিপাকে পড়ে। বিধি-নিষেধ শিথিল হওয়ায় পরিস্থিতি বিবেচনা করে জেলা প্রশাসন ৩৬টি পশুর হাট বসানোর অনুমোদন দেয়। ইতিমধ্যেই সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর, শালুয়াভিটা, রতনকান্দি, বেলকুচি উপজেলার সমেশপুরসহ জেলার বিভিন্ন পশুর হাট জমতে শুরু করেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় দিনের প্রতিটি হাটেই স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে দেখা মিলেছে ক্রেতা-বিক্রেতার উপচে পড়া ভিড়। হাটগুলোতে পশুর আমদানিও ছিল উল্লেখযোগ্য।

বিক্রেতা ও খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার হাটে গরুর দাম বেশি হাঁকা হচ্ছে। ক্রেতার চাহিদা বেশি থাকায় প্রচুর পরিমাণে কোরবানির গরু উঠলেও ব্যাবসায়িক কারণেই এমনটা হচ্ছে। হাটগুলোতে পশুর পাশাপাশি ক্রেতার সংখ্যা বেশি থাকায় স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই চোখে পড়েনি। হাটসহ আঞ্চলিক সড়কেও ঠাসাঠাসি করে গরু তোলা হয়েছে।

তবে সমেশপুর হাট ইজারাদার আরিফুল ইসলাম মজনু বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে অন্যান্য হাটের তুলনায় এ হাটে ক্রেতা এবং বিক্রেতারা খুব সুষ্ঠুভাবে গরু কেনাকাটা করতে পারছে। এ ছাড়া পাইকারদের জন্য থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা করা হয়েছে এবং জাল টাকা শনাক্ত করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হাটে যাতে ক্রেতা-বিক্রেতার কোনো সমস্যা না হয় তার জন্য আমাদের ৪০/৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক সার্বক্ষণিক হাটের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।



সাতদিনের সেরা