kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

রাজধানীর হাট কাঁপাতে আসছে 'যুবরাজ'

পূর্বধলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি   

১৫ জুলাই, ২০২১ ১৭:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর হাট কাঁপাতে আসছে 'যুবরাজ'

ষাঁড়টির বয়স ৩ বছর। উচ্চতা সাড়ে পাঁচ ফুট। বেশ সুঠাম দেহ। ওজন ১২২২ কেজি। ষাঁড়টির এমন বৈশিষ্টের কারণে খামার মালিক নাম দিয়েছেন যুবরাজ। এটিই নেত্রকোনা জেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড়। জেলার পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের বানেরকান্দার কলেজশিক্ষক তুহিন মোজাম্মেলের দাবি এমনটাই। তিনি ষাঁড়টির দাম হাঁকছেন ১১ লাখ টাকা। তবে করোনার কারণে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন তিনি। কাল শুক্রবার ষাঁড়টি বিক্রি করতে রাজধানীর গাবতলী বা আফতাবনগর হাটে ওঠাবেন বলে জানিয়েছেন ষাঁড়টির মালিক তুহিন।

তুহিন মোজাম্মেল পূর্বধলা সরকারি কলেজে শিক্ষকতার পাশাপাশি ৫ বছর আগে বাড়িতে ছোট করে একটি খামার গড়ে তোলেন। প্রথমে দেশীয় জাতের ৩/৪টি গরু দিয়ে শুরু করেন খামারটি। পরে খামারে ৫২ হাজার টাকা দিয়ে অস্ট্রেলিয়ান হলস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের একটি বকনা গরু কেনেন। ২ বছর পর জন্ম দেয় ওই ষাঁড় বাছুরটি। গত তিন বছর ধরে লালনপালন করছেন ষাঁড়টি। 

তার দাবি, 'যুবরাজ'ই জেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড়। এ বছর কোরবানির ঈদে তিনি ষাঁড়টি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। দাম হাঁকছেন ১১ লাখ টাকা। বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা আসলেও আশা অনুযায়ী ষাঁড়টির দাম হচ্ছে না। কাঙ্ক্ষিত দাম না হওয়ায় তিনি এখনও ষাঁড়টি বিক্রি করতে পারছেন না। অংশ নেন পশু কেনাবেচার অনলাইন প্লাটফরমেরও। করোনা পরিস্থিতির কারণে এ ঈদে ষাঁড়টি বিক্রি করতে পারবেন কি-না এ নিয়ে শঙ্কায় তিনি। এলাকায় কোনো ক্রেতা না পেয়ে কাল শুক্রবার রাজধানীর গাবতলী বা আফতাবনগর হাটে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি আরো জানান, ষাঁড়টির লালনপালনে মাসে প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়। এই ঈদে বিক্রি করতে না পারলে ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন তিনি। 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মতিউর রহমান বলেন, আমরা খামার মালিকের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনলাইন পশুর হাটেও ষাঁড়টির তথ্য দেওয়া হয়েছে। 

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মনোরঞ্জন ধর বলেন, আমার জানামতে ওই ষাঁড়টিই জেলার সবচেয়ে বড়। ঢাকায় বড় কোরবানির হাটে নিতে পারলে হয়তো বড় ক্রেতা এটি কিনে নিত। এ ছাড়া উপজেলা ও জেলার অনলাইন প্লাটফরমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা জানানোর চেষ্টা করছি।



সাতদিনের সেরা