kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ শ্রাবণ ১৪২৮। ৫ আগস্ট ২০২১। ২৫ জিলহজ ১৪৪২

হাঁসখেকো সেই অজগর ধরা!

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৩ জুলাই, ২০২১ ১০:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাঁসখেকো সেই অজগর ধরা!

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে মাটিটা এডভেঞ্চার পার্কে হাঁস খেকো সেই অজগর অবশেষে ধরা পড়ল। সোমবার (১২ জুলাই) দুপুরে আবারো হাঁস খেতে এসে পার্ক কর্মীদের হাতে আটক হয়েছে ১২ ফুট দীর্ঘ বিশালাকৃতির অজগর সাপটি। পরে সাপটিকে বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বিএমএ ১ নং গেইটের উত্তর পাশে ‘মাটিটা এডভেঞ্চার’ পার্ক নামক বেসরকারি একটি পর্যটন কেন্দ্রের ভেতরে ছোট একটি হাঁস-মুরগির খামারও আছে। এই খামারের হাঁস দিন দিন কমে যাচ্ছিল। এর ফলে কোন বন্যপ্রাণী এসব হাঁসগুলো খেয়ে নিচ্ছে বলে ধারণা করলেও এতদিন কোন প্রানী এগুলো খাচ্ছে তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না। তবে এদিনে সতর্ক দৃষ্টি রাখছিলেন পার্কের কর্মীরা। এদিকে আগের মতোই সোমবার দুপুরে ওই খামারে আবারো হাঁস খেতে ঢুকে পড়ে ১২ ফুট দৈর্ঘ্যরে বিশালাকার অজগর সাপ। সাপটি হাঁস খাবার সময় মাটিটা এডভেঞ্চার পার্কের কর্মীরা অজগরটি দেখে দীর্ঘ সময়ের চেষ্টায় কৌশলে সেটি আটক করে বন বিভাগকে খবর দেয়। খবর পেয়ে বিকেলেই বন বিভাগের একটি দল সাপটি তাদের জিম্মায় নিয়ে ভাটিয়ারীর পাহাড়ে অক্ষতবস্থায় অবমুক্ত করে দেন।

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের ফৌজদারহাট বিট কাম চেক স্টেশন কর্মকর্তা শাহানশাহ নওশাদ ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, ভাটিয়ারীতে মাটিটা পার্ক নামক একটি পর্যটন কেন্দ্রে রক্ষিত হাঁস-মুরগী খোয়াড়ে ঢুকে হাঁস খেতে দেখে পার্কের কর্মচারী ও স্থানীয় লোকজন সাপটি ধরে ফেলে। পরে স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তাদের খবর দেন। বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সাপটি উদ্ধার করে বিকেলে পাশবর্তী ভাটিয়ারীর একটি পাহাড়ে সেটি অবমুক্ত করে দিয়েছেন।

ভাটিয়ারীর বাসিন্দা মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, এখানে পাহাড়ে প্রচুর অজগর আছে বলে আমাদের ধারণা। প্রায়ই খাদ্য সংকটে পাহাড় থেকে অজগরগুলো লোকালয়ে নেমে আসে। এভাবে এই ইউনিয়নের পূর্ব হাসনাবাদসহ বিভিন্ন গ্রামে প্রায়ই এরকম অজগর ধরা পড়ে। বিশেষ করে ভাটিয়ারীর বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে কিছুদিন পরপরই এরকম অজগর ধরা পড়ে। পরে সেসব অজগর পুনরায় বনে অবমুক্ত করা হয়। সর্বশেষ এই অজগরও একইভাবে বন থেকে নেমে এসে ধরা পড়ল।



সাতদিনের সেরা