kalerkantho

রবিবার । ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮। ১ আগস্ট ২০২১। ২১ জিলহজ ১৪৪২

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনালে সতর্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

১০ জুলাই, ২০২১ ২১:৪৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনালে সতর্ক ব্রাহ্মণবাড়িয়া

লাতিন আমেরিকা থেকে প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার দূরত্বের বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা। সারাদেশের ন্যায় কোপা আমেরিকা ফুটবল ফাইনালে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ম্যাচ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও আছে ব্যাপক আলোচনা। আছে দলগত ’বিভাজন’।

দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে হওয়া সংঘর্ষের পর এ নিয়ে যেন রীতিমতো নড়েচড়ে বসার কথা বলছেন পুলিশ প্রশাসন। ম্যাচকে ঘিরে যে কোনো ধরণের সংঘর্ষ এড়াতে ব্যাপক প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। পাশাপাশি শনিবার সতর্কতামূলক মাইকিংও করা হয়েছে।

তবে ফুটবল ম্যাচকে ঘিরে পুলিশের এমন উদ্যোগকে অনেকটাই ‘বাড়াবাড়ি’ মনে করছেন সুশীল সমাজ। তাঁরা মনে করছেন, অন্য দেশের ফুটবল খেলার মতো বিষয়কে কেন্দ্র করে যেসব উদ্যোগের কথা বলা হচ্ছে তা অতি উৎসাহের বিষয়। মূলত হেফাজতের তাণ্ডব ঠেকাতে ব্যর্থ পুলিশ কোনোভাবেই এতটুকু ঝুঁকি নিতে চাইছেন বলেই বাড়তি সতর্কতা নিয়েছেন।

তবে এ নিয়ে ক্ষোভ থাকলেও সরাসরি কেউ মুখ খুলে কিছু বলতে চাইছেন না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সুশীল সমাজের একাধিক প্রতিনিধি বলছেন, চলমান লকডাউনে এমনিতেই বাইরে বের হওয়ার সুযোগ নেই। প্রশাসনও নির্দেশনা বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে। এ অবস্থায় বাইরে কোথাও বড় পর্দায় টিভি দেখতে না পারার কথা, মিছিল না করতে নির্দেশনা দিয়ে মাইকিং করানো হাস্যকর।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার বলেন, 'ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা কিংবা অন্য কোনো দলের ফুটবল ম্যাচ নিয়ে সারা দেশেই আগ্রহ থাকার বিষয়টি বেশ পুরোনো। একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এভাবে মাইকিং করাটা বরং আতঙ্ক বাড়িয়ে দিয়েছে।'

১৪ বছর পর বড় কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। ফুটবলের ওই দুই পরাশক্তির সমর্থকদের মধ্যে গত ৬ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার দামচাইল গ্রামে সংঘর্ষ হয়। কথাকাটাকাটির জের ধরে ব্রাজিলের এক সমর্থকের চাচাকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টা হামলায় আহত হন।

এসব বিষয়কে সামনে রেখেই ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে খেলা কেন্দ্রিক কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকার কথা জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন। সাংবাদিকদেরকে তিনি জানান, বড় স্ক্রিন, কোনো ক্লাবে কিংবা চায়ের দোকানে যেন খেলা দেখার আয়োজন করা হয় সে বিষয়টি মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। রবিবার ফাইনাল খেলার দিন ভোর থেকেই মাঠে কাজ করবে পুলিশ। পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনোভাবে বিজয় মিছিল করতে দেওয়া হবে না।



সাতদিনের সেরা