kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

সেই অসহায় বাবার অন্তঃসত্ত্বা মেয়ের মাতৃত্বকালীন দায়িত্ব নিল পুলিশ

বেনাপোল প্রতিনিধি   

১০ জুলাই, ২০২১ ১৯:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেই অসহায় বাবার অন্তঃসত্ত্বা মেয়ের মাতৃত্বকালীন দায়িত্ব নিল পুলিশ

মেজো মেয়ে সোনিয়া ১০ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। গত বুধবার ছিল ডেলিভারি ডেট। ডাক্তার জানিয়েছেন, নরমাল ডেলিভারি সম্ভব না। সিজার আবশ্যক। আগের বারের ১৩০০ টাকা পাবে ডাক্তার। এবার লাগবে ১২ হাজার টাকা। বাড়িতে নেই এক টাকাও। তাই মাথায় হাত দিয়ে অসহায় এই পরিবারটির। চিন্তার ছাপ অসহায় বাবা ফজলুর রহমানের চোখে মুখে।

বিষয়টি নিয়ে গতকাল কালের কণ্ঠে 'টাকার অভাবে ১০ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে নিয়ে বসে বাবা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর অন্তঃসত্ত্বা সোনিয়া খাতুনের মাতৃত্বকালীন সময়ের সকল দায়িত্ব গ্রহণ করেছে শার্শা থানা পুলিশ।

সোনিয়া খাতুন যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের অসহায় দিনমজুর ফজলুর রহমানের মেয়ে। কালের কণ্ঠের সংবাদটি শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার দৃষ্টিগোচর হলে তিনি পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টি দেখার নির্দেশ দেন।

শার্শা থানা পুলিশের প্রতিনিধি বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় সার্বিক সহযোগিতা দিতে দিনমজুর ফজলুর রহমানের বাড়িতে আসেন। এ সময় সেখানে স্থানীয় ইউপি মেম্বর হবিবর রহমান, শহীদ কাজী, স্থানীয় সাংবাদিক আজিজুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

তিনি পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং পুলিশের তত্ত্বাবধানে সোনিয়াকে শারিরীক পরীক্ষার জন্য পার্শ্ববর্তী সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার গয়ড়া বাজারে ডাক্তার রমজান আলীর ক্লিনিকে নিয়ে যান। 

মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, কালের কণ্ঠে সংবাদটি প্রকাশের পর এ পর্যন্ত পরিবারটি সাত হাজার টাকার মতো আর্থিক সহায়তা পেয়েছে। আরো পেতে পারেন। পুলিশের পক্ষে আমরা মেয়েটির পাশে দাঁড়িয়েছি। তার সন্তান ভূমিষ্ট হওয়া পর্যন্ত তার সার্বিক সহযোগিতা ও ব্যয়ভার আমরা বহন করবো।

এ সময় কালের কণ্ঠের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও এলাকাবাসী।



সাতদিনের সেরা