kalerkantho

শনিবার । ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩১ জুলাই ২০২১। ২০ জিলহজ ১৪৪২

'হাট বসেছে তাই এসেছি, কিসের বিধি-নিষেধ?'

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি   

৯ জুলাই, ২০২১ ১৭:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'হাট বসেছে তাই এসেছি, কিসের বিধি-নিষেধ?'

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারা দেশে কঠোর লকডাউন চলছে। কঠোর বিধি-নিষেধ সত্ত্বেও বগুড়ার নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়নের রনবাঘা হাটে পশুহাট বসেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের জটলা চোখে পড়ার মতো। হাটের পাশেই বসেছে চায়ের দোকান। সেখানে বসে অনেকে চা ও ধূমপান করছেন। হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি ক্রেতা-বিক্রেতাদের। তবে অনেকেরে মুখে মাস্ক না থাকলে মাস্ক ছিল থুতনির নিচে, কারো কোমরে আবার কারো পকেটে। হাটের প্রবেশ পথগুলোয় পা ফেলার জায়গা নেই। ফলে এই উপজেলায় করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন নাগরিক।

শেরপুর থেকে গরু কিনতে আসা রেজাউল করিম জানান, সামনে ঈদ তাই তিনি পার্শবর্তী উপজেলা থেকে এসেছেন গরু নিতে। লকডাউনের মধ্যেও কেন এসেছেন- এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, 'হাট বসেছে তাই এসেছি। কিসের বিধি-নিষেধ। প্রশাসন অনুমতি না দিলে এতো বড় হাট বসে নাকি?'

ইজারাদার জেলা জাসদের সভাপতি ও বগুড়া-৪ আসনের সাবেক এমপি একেএম রেজাউল করিম তানসেন বলেন, কোন হাটে স্বাস্থ্যবিধি আছে। হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানতে মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। সচেতনা করতে মাইকিং করা হয়েছে। তারপরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুহাট করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শিফা নুসরাত বলেন, শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোরবানির পশুর হাট বসানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পশুহাটে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। পশুরহাট বন্ধের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই।



সাতদিনের সেরা