kalerkantho

সোমবার । ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮। ২ আগস্ট ২০২১। ২২ জিলহজ ১৪৪২

ক্রেতার অপেক্ষায় পশুর হাট

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

৬ জুলাই, ২০২১ ২০:২৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রেতার অপেক্ষায় পশুর হাট

কোরবানির জন্য বিভিন্ন জাতের পশু বাজারে উঠতে শুরু করেছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় সরকার হাটে। চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ এ হাটের বিক্রেতারা এখন ক্রেতার অপেক্ষায়। লকডাউনের প্রভাবে ক্রেতা কম হলেও ভালো বিক্রির আশা ব্যবসায়ীদের।

এ হাটেই পশু বেচাকেনা করেন আনোয়ারা, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, পটিয়া, কর্ণফুলী, কক্সবাজারের পেকুয়ার লোকজন।

সপ্তাহের শুক্র ও সোমবার হাটের দিন হলেও সপ্তাহজুড়ে চলে বেচাকেনা। ফলে এ হাটের পরিসর তৈলারদ্বীপ সেতুর গোড়া থেকে সরকার হাট কাঁচাবাজার ও পুরাতন ফেরিঘাট পর্যন্ত বেড়েছে।

হাটে পশু বিক্রেতা মো. রাসেলের জানায়, গত ১০ বছরের অধিক সময় ধরে তিনি এ হাটে গবাদিপশু বেচাকেনা করেন। দেশের কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে দেশি গরু-মহিষ এ হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন।

বর্তমানে এই হাটে ছোট বড় পাঁচ শতাধিক গরু ব্যবসায়ী রয়েছে। লকডাউনের আগে হাটের ব্যবসায়ীরা প্রতিবাজারে ১০ হাজারের বেশি গবাদিপশু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রাখতেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিবাজারে ৫/৬ হাজার পশু বেচাকেনা হতো। কিন্তু বর্তমানে করোনা ও লকডাউনের কারণে হাটে প্রচুর গবাদিপশু থাকলেও ক্রেতা নেই। প্রতিহাটে এখন এক থেকে দুই শ পশু বেচাকেনা হচ্ছে।

হাটের ইজারাদার জয়নাল আবেদিন হেলাল বলেন, সাত কোটি টাকার ওপরে এ হাটের ইজারা দিতে হয় সরকারকে। করোনা ও লকডাউনের কারণে হাটে গরু-মহিষ-ছাগল বেচা-বিক্রি না হওয়ায় আমরা ইজারাদারেরা মাসের পর মাস লোকসান দিচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে হাটে যেভাবে বেচাকেনা চলছে তা দিয়ে কর্মচারীর বেতনও ঠিকমতো হয় না। উপজেলায় ইজারার কিস্তির টাকা দেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।



সাতদিনের সেরা