kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩ আগস্ট ২০২১। ২৩ জিলহজ ১৪৪২

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ছে নারায়ণগঞ্জেও

শনাক্তের শতকরা ৮০ ভাগই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট : সিভিল সার্জন

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

৫ জুলাই, ২০২১ ২১:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শনাক্তের শতকরা ৮০ ভাগই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট : সিভিল সার্জন

ভারতীয় করোনা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ছে নারায়ণগঞ্জেও। নতুন করে যারা কভিড-১৯ বা করোনায় পজিটিভ হচ্ছেন তাদের শতকরা ৮০ ভাগই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট (ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট) বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ ইমতিয়াজ। এজন্য তিনি সবাইকে করোনা সুরক্ষায় লকডাউন বিধিনিষেধ মেনে চলার আহ্বান জানান।

নারায়ণগঞ্জের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আজ সোমবার সন্ধ্যায় কালের কণ্ঠর ফোনালাপে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ডেল্পা ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় আমরা সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। তারপরও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে আমাদের।

নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ ইমতিয়াজ বলেন, নারায়ণগঞ্জে করোনা সংক্রমণ দিন দিন বেড়ে চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৯৫ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। আর নারায়ণগঞ্জ কভিড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন নারী মারা গেছেন। আক্রান্তের হার ২৩ দশমিক ৫৭ শতকরা।

নারায়ণগঞ্জে কি ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে? জবাবে ইমতিয়াজ বলেন, নারায়ণগঞ্জে কভিড-১৯ এর ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট পরীক্ষা করার জন্য ল্যাব নেই। সারা দেশে এখন নতুন করে যারা আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের ৮০ ভাগই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। সে হিসেবেও নারায়ণগঞ্জেও আক্রান্ত আছে। তাই সবাইকে সর্তক থাকতে হবে। করোনা সুরক্ষায় লকডাউন বিধি নিষেধ মেনে চলতে হবে। আর যারা জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হবে তাদের অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

তিনি জানান, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় আমাদের সবরকমের প্রস্তুতি রয়েছে। তারপরও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে আমাদের। যেমন খানপুর ২০০ শয্যা হাসপাতালটি করোনা ডেডিকেটেড হলেও সেখানে আসন সংখ্যা মাত্র ১০০টি। তারপর হয় সেখানে আরো ২০টি বাড়ানো যাবে। কিন্তু এর বেশী হলে আমরা বিপাকে পড়ে যাব।

নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯৫ জন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন একজন। এ নিয়ে জেলায় ১ লাখ ১৮ হাজার ৯২৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৩৪০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১৩ হাজার ৩৩৯ জন এবং মারা গেছে ২২৪ জন। এখন আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৭৭৭ জন।



সাতদিনের সেরা