kalerkantho

সোমবার । ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮। ২ আগস্ট ২০২১। ২২ জিলহজ ১৪৪২

‘রাজাবাবু’র ওজন ৩০ মণ, ৮ লাখ দাম হাঁকছেন খামারি

আজিজুর রহমান রনি, মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

২ জুলাই, ২০২১ ১২:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘রাজাবাবু’র ওজন ৩০ মণ, ৮ লাখ দাম হাঁকছেন খামারি

ঈদুল আজহা সামনে রেখে কুমিল্লার মুরাদনগরে কোরবানির জন্য ৩০ মণ ওজনের একটি ষাঁড় সাড়া ফেলেছে। সাত ফুট লম্বা সাদা-কালো রঙের গরুটির বয়স চার বছর। ‘আব্দুল্লাহ ডেইরি ফার্মের খামারি ফরিদ মিয়া ভালোবেসে এর নাম রেখেছেন ‘রাজাবাবু’।

উপজেলার ১৪ নম্বর নবীপুর ইউনিয়নের নগরপাড় গ্রামের উদ্যোক্তা ফরিদ মিয়া জানান, চার বছর আগে তার খামারেই গরুটির জন্ম হয়। তখন আদর করে এর নাম রাখেন রাজাবাবু। তখন থেকেই কোনো ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই শুধু দেশীয় খাবার খাইয়ে গরুটিকে লালন-পালন করা হচ্ছে।

আকর্ষণীয় নাম আর আকারে বড় হওয়ায় আগ্রহ নিয়ে ষাঁড়টিকে দেখতে প্রতিদিনই উৎসুক মানুষজন ফরিদ মিয়ার খামারে ভিড় জমাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত ষাঁড়টির দাম হাঁকা হয়েছে ৮ লাখ টাকা।

ফরিদ মিয়া বলেন, ষাঁড়টি খুবই শান্ত প্রকৃতির। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের পরামর্শ মেনে কোনো ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার ছাড়াই শুধু দেশীয় খাবার খাইয়ে এটিকে বড় করেছি। এখন ষাঁড়টির ওজন হয়েছে প্রায় ৩০ মণ (১ টনের বেশি)। এখন ষাঁড়টির দাম চাচ্ছি ৮ লাখ টাকা। তবে বাজারের অবস্থা বুঝে আলোচনা সাপেক্ষে দাম কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

২০১৪ সালের শেষের দিকে সাতটি গাভি দিয়ে খামারটি শুরু করেন ফরিদ মিয়া। বর্তমানে খামারে ৪০টি ষাঁড় ও গাভী রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ষাঁড়কে এবার কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। খামারে ‘রাজাবাবু’ ছাড়াও একটু কম ওজনের  কালো রঙের আরও দুটি ষাঁড় রয়েছে। ফরিদ মিয়া ছাড়াও তার দুই ছেলে খামারটি দেখাশোনা করেন।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. কামরুল আহমেদ খান বলেন, আব্দুল্লাহ ডেইরি ফার্মের ফরিদ মিয়া খামারে দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে লালন-পালন করা হচ্ছে। আমরা 'রাজাবাবু' নামের ষাঁড়টিকে নিয়মিত দেখাশোনা করছি। আমাদের জানামতে, উপজেলায় এই ষাঁড়টিই এখন সবচেয়ে বড়।



সাতদিনের সেরা