kalerkantho

শুক্রবার । ৯ আশ্বিন ১৪২৮। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৬ সফর ১৪৪৩

কক্সবাজারে 'প্রশাসনের চোখ' ফাঁকি দিতে পারছে না কেউ

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার   

১ জুলাই, ২০২১ ১৯:২৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজারে 'প্রশাসনের চোখ' ফাঁকি দিতে পারছে না কেউ

কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে কক্সবাজারে মাঠে রয়েছে জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ। জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদের নেতৃত্বে কঠোর লকডাউনের প্রথমদিনেই শহরে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে লকডাউন বাস্তবায়ন করতে দেখা গেছে। 

কক্সবাজার শহরের হলিডে মোড়, কলাতলী মোড়, লাবণী পয়েন্ট, ঘুনগাছ তলা, কবিতা চত্বর পয়েন্ট ও সুগন্ধা পয়েন্টে পুলিশের টহল ও নজরদারি চোখে পড়ার মতো। কলাতলীর ডলফিন মোড়ে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল করলেও শহরজুড়ে কোথাও কোনো গণপরিবহন চলাচল করছে না। কিছু কিছু প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ফার্মেসি ও রেস্টুরেন্ট খোলা রয়েছে। তবে রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না কেউ।

বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে পর্যটন নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কঠোর বিধি-নিষেধ চলছে। বাজারঘাটা, বার্মিজ মার্কেট, কালুর দোকান, রুমালিয়ারছরা, বিজিবি ক্যাম্প ও বাসটার্মিনাল সড়কে কোনো ধরনের গণপরিবহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। স্বাভাবিক নিয়মে রিকশা চলাচল করলেও চাহিদার তুলনায় তা ছিল কম। অনেকে হেঁটে প্রয়োজনীয় কাজে যাচ্ছেন। তবে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

পৌর এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, 'লকডাউনের কারণে চলাচলের জন্য কোনো গণপরিবহন পাচ্ছি না। সড়কে রিকশা থাকলেও যাত্রী বেশি।'

ঘুনগাছ তলায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের উপপরিদর্শক মোশাররফ হোসেন বলেন, কভিড-১৯ এর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় এই মহামারির সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার যে কঠোর লকডাউন দিয়েছে, তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে। কোনো গণপরিবহন চলতে দিচ্ছি না আমরা। শুধুমাত্র রিকশা আর কিছু ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল করছে।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জোবায়ের হাবিব জানান, সকাল থেকে জেলা প্রশাসনের কয়েকটি টিম মাঠে রয়েছে। তারা কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে তৎপর রয়েছে। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি এদিক-ওদিক চলাফেরার কোনো সুযোগ নেই। পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন চলমান থাকবে।



সাতদিনের সেরা