kalerkantho

বুধবার । ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৮ জুলাই ২০২১। ১৭ জিলহজ ১৪৪২

জিআই তারে ভর করছে সেতু!

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

৩০ জুন, ২০২১ ১৯:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জিআই তারে ভর করছে সেতু!

সেতুর একপাড়ে রাঙ্গাবালী, অন্যপাড়ে ছোটবাইশদিয়া। দুপাড়ের মানুষের যোগাযোগ বন্ধনের জন্য সেতুটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সেই সেতু এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সেতু ভেঙে একদিকে হেলে পড়েছে। কোনোমতে জিআই তার দিয়ে সেতুর তিনটি অংশ বেঁধে রাখা হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে সেই তার ছিড়ে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তবুও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় আতঙ্কের মধ্যেও সেতু পারাপার হচ্ছে প্রতিদিন দুপাড়ের শত শত লোক।

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার পূর্ব বাহেরচর ও হরিদ্রখালী গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া গহিনখালী খালের ওপর নির্মিত সেতুর এমন চিত্র। স্থানীয়রা জানান, অনেক আগেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরেছে সেতুটি। কয়েক জায়গায় জিআই তারের ওপর ভর করে কোনোমতে ঝুলে রয়েছে। যানবাহনতো দূরের কথা, পথচারী পারাপারেও কেঁপে ওঠে। তবুও কাছাকাছি বিকল্প পারাপারের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহনসহ সাধারণ লোকজন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানান, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এলজিএসপি থেকে ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করে ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ। জানা গেছে, নির্মাণের দুই বছরের মাথায় একটি ফিশিং বোটের ধাক্কায় সেতুর তিন অংশ ভেঙে যায়। এর পর থেকেই সেতুটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

গহিনখালী গ্রামের বাসিন্দা ইমরান হোসাইন বলেন, সেতুটি এমনেতেই অনেক উচুঁ। তারমধ্যে আবার এখন ভাঙা। প্রতিদিনি সেতু পারাপার হতে গিয়ে এক-দুটি দুর্ঘটনা ঘটতেই আছে। তাই পরিকল্পিতভাবে এখানে জনস্বার্থে একটি সেতু নির্মাণ প্রয়োজন।

সেতু পারাপার হতে গিয়ে মোটরসাইকেল চালক নিশাত মিয়া বলেন, ‘যাত্রী নামিয়ে একা গাড়ি চালিয়ে ব্রিজে (সেতু) উঠতে হয়। গাড়ি নিয়ে উঠলে থরথর করে কাঁপতে থাকে।’

ছোটবাইশদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এ বি এম আব্দুল মান্নান বলেন, ‘জনগণের স্বার্থে দ্রুত ওইখানে একটি টেকসই সেতু নির্মাণ প্রয়োজন।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মিজানুল কবির বলেন, অনূর্ধ্ব এক শ মিটার ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পে ওই ব্রিজ (সেতু) অন্তর্ভুক্তকরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুমোদন হলে সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরু হবে।



সাতদিনের সেরা