kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ আশ্বিন ১৪২৮। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৫ সফর ১৪৪৩

বসতঘরে ২০ সাপ!

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি   

২৯ জুন, ২০২১ ১৯:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বসতঘরে ২০ সাপ!

যশোরের কেশবপুরের একটি ঘর থেকে ২০টি গোখরা সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। উপজেলার হরিহর নদ তীরের মধ্যকুল গ্রামের ধর পাড়া ভ্যানচালক আলমগীর হোসেনের বসতঘর থেকে সাপগুলো উদ্ধার করা হয়।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ওই বাড়িতে সাপুড়ে ডেকে বড় গোখরো ধরার চেষ্টা করা হলেও নতুন করে কোনো সাপ পাওয়া যায়নি।

ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন বলেন, সোমবার দুপুরে ঘরের ভেতর তার মেয়ে সুমাইয়া খাতুন একটি সাপের বাচ্চা দেখতে পায়। সাপটি চালের ড্রামের নিচে চলে যায়। খবর পেয়ে আলমগীর হোসেন কেশবপুর বাজার থেকে দ্রুত বাড়ি ফিরে আসেন। তিনি ও তার স্ত্রী রেশমা বেগম চালের ড্রাম সরিয়ে দেখতে পান সরু গর্ত। ওই গর্তের মুখেই ছিল সাপের বাচ্চাটি। সাপটি মেরে ফেলার পর সরু গর্ত খুড়লে একে একে বেরিয়ে আসে আরো ১৮টি সাপের বাচ্চা। সবগুলোকেই পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। রাত সাড়ে ১০টায় ঘরের ভেতর আরো একটি বাচ্চা সাপ ঘোরাঘুরি করতে দেখে আলমগীর হোসেনের পরিবারের সদস্যরা চিৎকার শুরু করে। 

এলাকাবাসী এসে কৌশলে ঘরের ভেতর বেড়ার পাশ থেকে সাপটি মেরে ফেলে। এ সময় এলাকায় সাপ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় হালিমা বেগম ও শামিমা বেগম জানান, এলাকায় সাপ আতঙ্কে তাদেরও রাতে ঘুম হয়নি।

এলাকার সাবেক কাউন্সিলর আয়ূব খান বলেন, হরিহর নদের তীরবর্তী ওই এলাকায় একসময় হিন্দু ভদ্রলোকেরা বসবাস করতেন। এলাকাটি অপেক্ষাকৃত উঁচু হওয়ায় সেখানে সাপের দীর্ঘদিনের আনোগোনা রয়েছে। তবে একসঙ্গে এতো গোখরো সাপ সন্ধান হওয়ায় এলাকার মানুষের ভেতর সাপ আতঙ্ক বিরাজ করছে। 

সাপুড়ে আব্দুল গফুর ভ্যানচালক আলমগীরের বসতঘরে তল্লাশী করে কোন গোখরো সাপ না পেয়ে ফিরে যাওয়ার সময় বলেন, ডিম থেকে তিন থেকে চারটি বাচ্চা বেরোনের পরপরই বড় সাপ চলে যায়। সব ডিম থেকে বাচ্চা বেরোনের পাঁচ থেকে সাতদিন পর আবারো সেখানে বড় সাপের ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকে।



সাতদিনের সেরা