kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

ধুনটে ভাঙাচোরা সড়কে মরণফাঁদ, জনদুর্ভোগ চরমে

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি    

২৩ জুন, ২০২১ ০৯:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধুনটে ভাঙাচোরা সড়কে মরণফাঁদ, জনদুর্ভোগ চরমে

বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর বাজার থেকে শেরপুরের ছোনকা বিশ্বরোড় পর্যন্ত প্রায় ১৯ কিলোমিটার পাকা সড়ক। সড়কটির মথুরাপুর থেকে রুদ্রবাড়িয়া পর্যন্ত তিন কিলোমিটার অংশ মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

ভগ্নদশায় কোথাও কোথাও চেনার উপায় নেই যে, এটি মাটির রাস্তা নাকি পিচঢালা সড়ক। সড়ক দিয়ে হেঁটে চলার কোনো উপায় নেই। এই দশা প্রায় দুই বছর ধরে।

সরেজমিন দেখা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে ২০১৩ সালে এই ১৯ কিলোমিটার সড়ক পর্যায়ক্রমে পাকা করা হয়। কিন্ত পরে এ সড়কটি সংস্কার করা হয়নি। সড়কের অনেক জায়গায় খোয়া, বালু ও পিচের চিহ্নমাত্র নেই। বেরিয়ে পড়েছে মাটি। সড়কের ইটের টুকরোগুলো উঁচু-নিচু হয়ে আছে স্থানে স্থানে। সড়কজুড়ে পিচ ওঠা গর্ত। মাঝেমধ্যেই উল্টে যায় গাড়ি। পাকা সড়ক এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। পথচারীরা খালি পায়ে সড়কে চলাচল করতে পারছে না। বিশেষত দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে তারা মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন।

স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক আব্দুল হামিদ বলেন, বেহাল এই সড়কে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় রোগীদের। বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্সে যেসব রোগী আসেন, তাদের যন্ত্রণা অনেকাংশে বাড়িয়ে তোলে। অন্তঃসত্ত্বাদের নিয়ে অসহায় অবস্থায় পড়তে হয় পরিবারের সদস্যদের। কারণ, জরুরি মুহূর্তে কোনো অ্যাম্বুলেন্স বা সিএনজিকে যাতায়াত করানো যায় না।

মথুরাপুর বাজারের গোলাম মোস্তফা বলেন, এ সড়ক দিয়ে বিভিন্ন হাটের ব্যবসায়ীরা পণ্য আনা-নেওয়া করে থাকেন। কিন্তু সড়কটির বেহালের কারণে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি যানবাহন চালকদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অটোচালক আকবর আলী বলেন, এ সড়কে অটো চালাতে দুর্ভোগে পড়তে হয়। কেননা এ সড়কের বিভিন্ন স্থানে বিশালকায় গর্ত। এসব গর্তের কাছে যেতেই মনে হয় যেন অটোটি উল্টে যাবে।

ভ্যানচালক ও স্থানীয় বাসিন্দা মিল্লাত হোসেন বলেন, এ সড়কেই ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। এখন সড়কের যে অবস্থা হয়েছে তাতে সমস্যা হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। সড়কটি চলাচলের অযোগ্য। ফলে এ পথে চলতে ভয় হয়।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন, সড়কটি সংস্কারের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। অর্থবরাদ্দ সাপেক্ষে মেরামত কাজ করা হবে।  



সাতদিনের সেরা