kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩০ জুলাই ২০২১। ১৯ জিলহজ ১৪৪২

'পাহাড়ের সকল নাগরিকের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার'

লংগদু (রাঙামাটি) প্রতিনিধি   

২১ জুন, ২০২১ ২১:৫৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'পাহাড়ের সকল নাগরিকের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার'

‘পাহাড়ের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মাঝে মধ্যেই খারাপ হয়ে যায়। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন। আপনারা শুধুমাত্র তথ্য দিলেই অনেক সমস্যার সমাধান করা সহজেই সম্ভব। পাহাড়ে বসবাসকারী সকল নাগরিকের অবস্থানটা সুন্দর দেখতে চাই। পাহাড়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার বাস্তবায়নের জন্য, উন্নয়নের জন্য এবং কল্যাণের জন্য যা করা দরকার তার সবই করছে সরকার। পাহাড়ের সকল নাগরিকের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সরকারের এটাই প্রত্যাশা। সরকারের সাংবিধানিক এই প্রত্যাশা বাস্তবায়নে সকলে মিলে কাজ করতে হবে।'

আজ সোমবার রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় রাজনগর বিজিবি জোনে অনুষ্ঠিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন জোন কমান্ডার লে. কর্নেল তাজুল ইসলাম তাজ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মেডিক্যাল অফিসার ক্যাপ্টেন ফকরুল ইসলাম রাজন, সহকারী পরিচালক (এডি) জামাল উদ্দিন।

মতবিনিময় সভায় জনপ্রতিনিধিরা নিজ নিজ এলাকার সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এ সময় ভাসান্যাদম ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী বলেন, এলাকার বেশ কিছু রাস্তা ও ব্রিজে নির্মাণের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডে আবেদন করা হয়েছে। এ ছাড়া ভাসান্যাদম এলাকার খোকসাপাড়া ব্রিজটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। এটা পুণনির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল (এলজিইডি) দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সোলার প্রজেক্টে পাড়া কেন্দ্রের শিক্ষকদের মাধ্যমে বিদ্যুত সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের তালিকা নেওয়া হচ্ছে। আবার ইউপি চেয়ারম্যানরাও তালিকা দিয়েছে। ফলে এখানে একটা সমন্বয়হীনতা দেখা দিয়েছে।

আমতলী ইউপি চেয়ারম্যান রাসেল চৌধুরী বলেন, আমতলী ইউনিয়নের পূর্বপাশে এক কিলোমিটার দূরত্বে বিদ্যুতের লাইন স্থাপন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত আমতলী ইউনিয়নে বিদ্যুতের লাইন স্থাপন করা হয়নি। এখনো বিদ্যুত সুবিধাবঞ্চিত আমতলী ইউনিয়নের জনসাধারণ।

গুলশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আবু নাছির বলেন, লংগদু উপজেলার পূর্বপাড়ের তিনটি ইউনিয়নের সাথে উপজেলা সদরের যোগাযোগের জন্য গাঁথাছড়া বড়কলোনী এলাকায় একটা সেতু নির্মাণের প্রয়োজন। একটা সেতু হলে তিনটি ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগের একটা বড় পরিবর্তন আসবে।

বগাচত্বর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ বলেন, গাউছপুর এলাকার একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্রীজ দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত। সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে এ ব্রিজ দিয়ে পারাপার হচ্ছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও এলজিইডি দপ্তরকে জানানো হয়েছে। গত এক বছরেও নতুন ব্রিজ নির্মাণের কোনো অগ্রগতি নাই।

এ ছাড়া মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বগাচত্বর ইউপি সদস্য মমতাজ বেগম, আমতলী ইউপি সদস্য নুর তৌহিদ, গুলশাখালী ইউপি সদস্য সফুর উদ্দিন প্রমুখ। 



সাতদিনের সেরা