kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

কক্সবাজারে নতুন ঘর পাচ্ছে ১৪২৩ ভূমিহীন পরিবার

ভূমিহীন-গৃহহীনদের বাড়ি দেওয়ার নজির আর নেই

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার   

১৮ জুন, ২০২১ ২০:৪৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভূমিহীন-গৃহহীনদের বাড়ি দেওয়ার নজির আর নেই

কক্সবাজার জেলায় মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার নতুন ঘর পাচ্ছে ১৪২৩টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রবিবার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় ধাপে এসব পরিবারকে বিনামূল্যে দুই শতক জমিসহ সেমিপাকা ঘর প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

শুক্রবার (১৮ জুন) জেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ। এই প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে এর আগে আরো ৩০৩টি পরিবার নতুন বাড়ি পেয়েছে। ২০ জুন ১০১৮ পরিবারকে নতুন ঘর হস্তান্তর করা হবে। এ ছাড়া আগামী ৩০ জুনের মধ্যে আরো ১০২ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে বিনামূল্যে জমিসহ ঘর প্রদান করা হবে। এ নিয়ে জেলায় মোট ১৪২৩টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবে।

জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজন্ম লালিত স্বপ্ন ছিল বাংলার গরিব-দুঃখীদের মুখে হাসি ফোটাবার। তাই 'মুজিববর্ষে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না' প্রধানমন্ত্রী এই মহতী স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তরের লক্ষ্যে খাস জমি বন্দোবস্ত দিয়ে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য গৃহ নির্মাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বিগত ২৩ জানুয়ারি প্রথম পর্যায়ে ৩০৩টি গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে ঘর দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে মোট ১০১৮টি পরিবার পাবে নতুন ঘর।

জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, বিভিন্ন দেশে ভূমিহীন, গৃহহীনদের ঘরবাড়ি নির্মাণের জন্য সুদবিহীন ঋণ দেওয়ার নজির আছে, কিন্তু ভূমিহীন-গৃহহীনদের ডেকে বাড়ি-ঘর দেওয়ার নজির আর নেই।

জেলা প্রশাসক বলেন, অসহায় মানুষকে এভাবে ঘর দেওয়া 'অন্তর্ভুক্তি উন্নয়নে শেখ হাসিনা মডেল'। বিশ্বে এটা নতুন মডেল, আগে কখনও কেউ এটা ভাবেননি। সরকার অসহায় ভূমিহীন-গৃহহীনদের ঘর দেওয়ার পাশাপাশি তাদের কর্মসংস্থানে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

জেলা প্রশাসক বলেন, অনিয়মের অভিযোগ এলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অনিয়মের বিষয়ে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শ্রাবস্তী রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার সুইটি, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান ও কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুল ইসলাম।



সাতদিনের সেরা