kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৯ জুলাই ২০২১। ১৮ জিলহজ ১৪৪২

নওগাঁর বদলগাছী

নির্মাণের ৭ দিন পরই ভেঙে পড়ল সড়কের দু'পাড়

মাটি দিয়ে ঢেকে রাখার অভিযোগ

বদলগাছী, মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

১৫ জুন, ২০২১ ১২:৫৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নির্মাণের ৭ দিন পরই ভেঙে পড়ল সড়কের দু'পাড়

নওগাঁর বদলগাছী পাকা সড়ক নির্মাণের ৭ দিনের মধ্যে ভেঙে পড়ল সড়কের দু'পাড়। ভাঙনের স্থান মাটি দিয়ে ঢেকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। কাজের গুণগত মান দেখে হতাশা প্রকাশ করেন গ্রামবাসী। আলোচিত এই সড়কটির নাম খাদাইল বাজার টু ভেরেন্ডি বাজার। স্থানীয় গ্রামবাসীর ভাষ্যে জানা যায়, এই সড়কের ১ কিলো ৪শ মিটার নির্মাণে ১ কোটি ৪ লাখ ৭৭ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। মেসার্স স্বচ্ছ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ব্রিক্স নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়ন করে। 

গ্রামবাসী জানান, গত ডিসেম্বর মাসে সড়কের নির্মাণকাজ শুরু করা হয় নিম্নমানের ইট, খোয়া দিয়ে। গ্রামবাসীর বাধার মুখে নিম্নমানের ইট, খোয়া তুলে নেন ঠিকাদার। নিম্নমানের ইট-খোয়া দিয়ে সড়কে ১২টি ইউড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহকালে কান্দা গ্রামের আহম্মদ আলী, সানোয়ার হোসেন, নজরুল ইসলামসহ অর্ধশতাধিক গ্রামবাসী জানান, আ. সাত্তারের বাড়ির পাশে ১টি পুরাতন ভাঙা কালভার্টের ওপর রাস্তা নির্মাণ করায় রাস্তার দক্ষিণপাড় ভেঙে পড়ে। এখানে রাস্তার মাপ সঠিক নেই। খালেকের বাড়ির নিকট রাস্তার পাশে ১টি ডোবা রয়েছে। ডোবার কিছু অংশ পালাসাইটিং দেওয়া থাকলেও রাস্তার কোনো উপকারে আসেনি। এখানে পশ্চিম পার্শ্বে প্রায় দেড় ফিট সড়ক ভেঙে পড়েছে। তার দক্ষিণে আরও খারাপ অবস্থা। গত রমজানের ঈদের ১০ দিন আগে এ প্রকল্পের কার্পেটিং কাজ সমাপ্ত করা হয় এবং ঈদের আগেই ভেঙে পড়ে রাস্তার সাইড। ঠিকাদারের লোকজন এসে মাটি দিয়ে ঢেকে রাখে ভাঙনস্থান। 

মোবাইল ফোনে কথা বললে ঠিকাদার আ. সোবহান বলেন, নিম্নমানের কাজ হয়েছে কথাটা সঠিক নয়। তাছাড়া বৃষ্টিতে সড়ক ভাঙতেই পারে। স্থানীয় লোকজন কী অভিযোগ করল সেটা আমার দেখার বিষয় না। উপজেলা প্রকৌশলীসহ পর্যবেক্ষক দল পরিদর্শন করেছে এবং তারা জানেন রাস্তার কাজ ভালো হয়েছে। তার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চাইলে তিনি বলেন, এতো কিছু জানার তো কোনো কারণ নেই। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ে এ প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য জানতে চাইলে অফিসের হিসাব রক্ষক আমজাদ হোসেন বলেন, এ প্রকল্পের ফাইলটি খুঁজে পাচ্ছি না। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোকলেছুর রহমানের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, রাস্তার সাইড ভেঙে পড়েছে বিষয়টি আমি জানি। তবে এ বিষয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে বর্ষা মৌসুম কেটে গেলে তা পুনরায় সংস্কার করে দেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা