kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩০ জুলাই ২০২১। ১৯ জিলহজ ১৪৪২

‘জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করে পুলিশ বাহিনীকে কাজ করতে হবে’

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

১৪ জুন, ২০২১ ১৯:০৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করে পুলিশ বাহিনীকে কাজ করতে হবে’

পুলিশের ডিআইজি মো. ময়নুল ইসলাম বলেছেন, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করে পুলিশ বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারে সোপর্দ করার পাশাপাশি অপরাধের ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা প্রদান করতে হবে।

আজ সোমবার সকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের প্যারেড মাঠে আয়োজিত ১৯তম বিভাগীয় ক্যাডেট এসআইগণের সমাপনী কুচকাওয়াজ ও ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠানে ট্রেনিং সেন্টারের ডিআইজি মো. ময়নুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। 

ডিআইজি মো. ময়নুল ইসলাম আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘তোমরা স্বাধীন দেশের পুলিশ, তোমরা ইংরেজের পুলিশ নও। তোমরা পাকিস্তানি শোষকদের পুলিশ নও। তোমরা জনগণের পুলিশ, তোমাদের কর্তব্য জনগণের সেবা করা, জনগণের ভালোবাসা, দুর্দিনে জনগণকে সাহায্য করা।' জাতির পিতার এ মহান নির্দেশনাকে চিত্তে ধারণ করে প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে এগিয়ে যেতে হবে।   

এ সময় পুলিশ সুপার (ট্রেনিং) মো. আব্দুর রহিম শাহ্ চৌধুরী, পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সালমা সৈয়দ পলি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ রাজিবুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রেনিং) মারুফা আক্তার, সহকারী পুলিশ সুপার (সিডিআই) সৈয়দ মোহসিনুল হক, সহকারী পুলিশ সুপার (সিএলআই) দেলোয়ার হোসেন খান, আহসান হাবীব পিপিএম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।   

ডিআইজি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর আকাঙ্ক্ষার ‘জনগণের পুলিশ’ হওয়ার ব্রত নিয়ে সম্মুখ পানে এগিয়ে যাবে, বিনির্মাণ করবে মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও অপরাধমুক্ত নিরাপদ বাংলাদেশ।
 
গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর ৮৭৭ জন ডিসি প্রশিক্ষণার্থী নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়। প্রশিক্ষণ শুরুকালীন বিভিন্ন কারণে ২২৫ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ ছাড়া ৬২৩ জন পুরুষ ও ২৯ জন নারী এই প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করেন। এ ছাড়া চার ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জনকারীকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। তারা হলেন- চৌকস ডিসি প্রশিক্ষণার্থী ডিসি/৫৪৫ মো. আবু হোসাইন মিঞা, আইন বিষয়ে ডিসি/৩১৭ মো. জহুরুল ইসলাম, প্যারেড ও ড্রিল বিষয়ে ডিসি/২১০ মোহাম্মদ কামরুল হাসান পিপিএম এবং এক্সট্রা কারিকুলামে ডিসি/৪০০ ফেরদৌসী আক্তার। 

১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় পাকবাহিনী মহেড়া জমিদারবাড়িতে হামলা চালিয়ে জমিদারবাড়ির কুলবধূ যোগমায়া রায় চৌধুরীসহ পাঁচজন গ্রামবাসীকে একত্রে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করে। ১৯৭২ সালে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত আব্দুল মান্নান এই জমিদারবাড়িটি পুলিশ ট্রেনিং স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য পুলিশ বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন। যেটিকে পরবর্তী সময়ে- ১৯৯০ সালে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার হিসেবে উন্নীত করা হয়।



সাতদিনের সেরা