kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ শ্রাবণ ১৪২৮। ৫ আগস্ট ২০২১। ২৫ জিলহজ ১৪৪২

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

ভাগ্নেকে মেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়রের ফন্দি!

বরগুনা প্রতিনিধি   

১৩ জুন, ২০২১ ১৫:৪২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভাগ্নেকে মেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়রের ফন্দি!

মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করে মেয়রের অনুসারীরা।

বরগুনার আমতলীতে এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় নির্দোষ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে মিথ্যা ও প্রতিহিংসাপরায়ণ মামলা দিয়ে নির্দোষ নেতা-কর্মীদের হয়রানি করার অভিযোগ আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আমতলী পৌরসভার মেয়র মো. মতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে।

আজ রবিবার সকাল ১১টায় আমতলী উপজেলা যুবলীগের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। 

হামলায় আহত ওই যুবলীগ নেতার নাম আবুল কালাম আজাদ। তিনি আমতলী পৌরসভার মেয়র মো. মতিয়ার রহমানের ভাগ্নে। গত ২১ মে আবুল কালাম আজাদসহ দুজনকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা। এ হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন মতিয়ার রহমানের সমর্থকরা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মিঠু মৃধা বলেন, মেয়র মতিয়ার রহমানের ভাগ্নে আজাদ মুমূর্ষ অবস্থায় একটি ভিডিও বক্তব্যে হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করেছেন। কিন্তু মামলায় তাদেরকে আসামি করা হয়নি। আসামি করা হয়েছে নির্দোষ এবং নিরপরাধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের। এটা পৌর মেয়র মতিয়ার রহমানের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র এবং চক্রান্ত।

সংবাদ সম্মেলনে আরো অভিযোগ করা হয়, মেয়র মতিয়ার রহমানের পরিবারের এক সদস্যের আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। যার নেপথ্যে ছিলেন মেয়রের ভাগ্নে আজাদ। এ ঘটনায় মেয়র মতিয়ার রহমান তার ভাগ্নে আজাদের প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন। তাই তিনি তার ভাগ্নের ওপর পরিকল্পিত হামলা করে এর দায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তাই অনতিবিলম্বে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলমগীর কবির, দপ্তর সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ফকির, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল হোসেন বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গাজী মো. শামসুল হক প্রমূখ।

অন্যদিকে, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পৌর মেয়র মো. মতিউর রহমানের নেতৃত্বে রবিবার দুপুর ১২টার দিকে আমতলী শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমতলী উপজেলাবাসীর ব্যানারে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান, সাবেক মেয়র মো. নাজমুল হক নানু, আমতলী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোতাহার উদ্দীন মৃধা প্রমূখ।



সাতদিনের সেরা